• শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
টানা বৃষ্টিতে আগুন সবজির বাজারে, কাঁচা মরিচ ২৮০ টাকা শাহজালালে ৬১ ভরি স্বর্ণসহ যাত্রী আটক আব্দুল্লাহপুর ফ্লাইওভারের সংযোগ সড়ক বন্ধ চরম ভোগান্তিতে উত্তরা-টঙ্গীর হাজারো মানুষ মাইলস্টোন দুর্ঘটনার এক বছরেও বদলায়নি দৃশ্যপট: ঝুলে আছে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন উচ্ছেদের উদ্যোগ পরিবেশ রক্ষায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির উদ্যোগে উত্তরা রাজউক অ্যাপার্টমেন্টে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী শাহজালাল বিমানবন্দর,যাত্রীদের দুর্ভোগ ঘোচাতে ব্যর্থ শাটল বাস! ফলের ক্যারেটে ১৬ কেজি স্বর্ণ! বিমানবন্দরে উদ্ধার অদৃশ্য সিন্ডিকেটের দখলে উত্তরা বিআরটিএ: ভোগান্তির শেষ নেই সেবাগ্রহীতাদের ৩ স্ক্যানারই অচল: ঢাকা বিমানবন্দরে কার্গো বিপর্যয়ের মুখে তৈরি পোশাক রপ্তানি, বাড়ছে ঘুষের বাণিজ্য উত্তরায় চীনা নাগরিকদের সন্দেহজনক ভ্লগিং: আড়ালে কী?

টানা বৃষ্টিতে আগুন সবজির বাজারে, কাঁচা মরিচ ২৮০ টাকা

এলেন বিশ্বাস / ২০ Time View
Update : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬

 

কয়েক দিনের টানা ভারী বৃষ্টিতে রাজধানী জুড়েই যেন কাঁচাবাজারে আগুন লেগেছে। এর প্রভাবে স্থবির ও ওলটপালট হয়ে পড়েছে উত্তরের ব্যবসায়িক প্রাণকেন্দ্র উত্তরাও। উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টর কাঁচাবাজার, ১০ নম্বর সেক্টর বাজার এবং গাউছুল আজম অ্যাভিনিউয়ের আশেপাশের সবজি বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে অধিকাংশ পণ্যের দামই এবার ‘সেঞ্চুরি’ স্পর্শ করেছে।

বর্তমানে উত্তরায় প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ২৮০ টাকা, টমেটো ১৬০ টাকা, গোল বেগুন ১৬০ টাকা, শসা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, উচ্ছে ১৪০ টাকা, গাজর ১৩০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, লম্বা বেগুন ১২০ টাকা এবং কচুর লতি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস লাউ ১০০ টাকা ও জালি কুমড়া ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। পাশাপাশি প্রতি কেজি চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, পটল ৮০ টাকা এবং পেঁপে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

 

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরের বাজারে বাজার করতে আসা সরকারি চাকরিজীবী হায়দার আলী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন:

“গত কিছুদিন ধরেই বাজারে সবজির দাম বাড়তি ছিল। কিন্তু আজ এসে তো একপ্রকার হতবাক হতে হলো। ১০০ টাকার নিচে কাঁচা বাজারে কেনার মতো প্রায় কিছুই নেই! মরিচের কেজি ২৮০ টাকা, অসাধু অনেক বিক্রেতা তো ৩০০ টাকাও চাচ্ছে। বৃষ্টিতে সরবরাহ কমবে ঠিক আছে, কিন্তু তাই বলে এমন অবিশ্বাস্য দাম বাড়বে আর বাজারে কোনো সরকারি মনিটরিং থাকবে না এটা কীভাবে মেনে নেওয়া যায়।

 

 

একই ক্ষোভ প্রকাশ করেন ৮ নম্বর সেক্টরের বাসিন্দা ও স্থানীয় বাজার করতে আসা ক্রেতা মাসুদ রানা। তিনি বলেন: কয়েক দিন আগেও অন্তত ৮০ থেকে ১০০ টাকার ভেতরে কিছু না কিছু পাওয়া যেত। কিন্তু আজকের বাজারে পেঁপে আর দু-একটা পদ ছাড়া সব ১৬০ টাকা ছুঁইছুঁই। সবজি কিনতেই যদি আয়ের অর্ধেকের বেশি চলে যায়, তবে মাছ, মাংস আর মুরগির বাজার করব কীভাবে? সেগুলোর দাম তো আকাশচুম্বী।

 

 

নাজিমুদ্দিন দাম বাড়ার পেছনের কারণ হিসেবে টানা বৃষ্টি ও পরিবহন সংকটকেই দায়ী করেছেন। তিনি জানান: কয়েক দিনের অবিরাম বৃষ্টিতে দেশের প্রধান প্রধান সবজি উৎপাদনকারী অঞ্চলের খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ঢাকায় মাল নিয়ে আসার পথগুলোতেও বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে, ফলে পাইকারি বাজারে সরবরাহের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। পাইকারিতেই আমাদের চড়া দামে কিনতে হচ্ছে, ফলে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দাম কমার সম্ভাবনা খুবই কম।

 

 

এলেন বিশ্বাস

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!