
এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের ‘বান্দরবানকে শাস্তিস্বরুপ চাঁদাবাজদের পাঠানোর জায়গা’- মন্তব্যের প্রতিবাদে ও অবিলম্বে সেই বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়া না পর্যন্ত বান্দরবানে সার্জিস আলম কে অবাঞ্ছিত করার ঘোষণা দিয়েছে ছাত্রসমাজ।
রোববার (২০ জুলাই) দুপুরে বান্দরবান প্রেসক্লাবে ‘ছাত্র সমাজ’র ব্যানারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বান্দরবানের ছাত্র নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বান্দরবান কোনো বিচ্ছিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চল নয়—এটি জাতিগত, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিকভাবে সমৃদ্ধ এক জনপদ। এখানকার মানুষ শান্তিপ্রিয়, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও অধিকার সচেতন। এই জেলার মর্যাদাকে অপরাধীদের শাস্তির স্থান হিসেবে উল্লেখ করা মানে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষকে অপমান করা।
তারা আরও বলেন, ছাত্র সমাজ, সারজিসের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত। বান্দরবান কোনো বিচ্ছিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চল নয়-এটি জাতিগত, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিকভাবে সমৃদ্ধ এক জনপদ। এখানকার মানুষ শান্তিপ্রিয়, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও অধিকার সচেতন। এই জেলার মর্যাদাকে অপরাধীদের শাস্তির স্থান হিসেবে উল্লেখ করা মানে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষকে অপমান করা।
কিন্তু বাস্তবে ঘটে তার বিপরীত। সার্জিস আলম বান্দরবান পদযাত্রা কর্মসূচি’র অনুষ্ঠানে উপস্থিতই ছিলেন না, এবং দলের কোনো কেন্দ্রীয় নেতা এই বিষয়ে একটি বাক্যও বলেননি। বরং অনুষ্ঠান শেষে আমরা মঞ্চে গিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের বিষয়টি স্মরণ করালে তাঁরা(এনসিপি) কর্ণপাত না করে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে এক বক্তা বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে চাই বান্দরবানকে অবমূল্যায়ন বা অবমাননা করা হলে আমরা তার রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবো।’
ছাত্রসমাজের প্রতিনিধি আসিফ ইকবাল, আমিনুল ইসলাম, খালিদ বিন নজরুল, হাবিব আল মাহমুদ, জুবায়ের হোসেন, রাশেদুল ইসলাম, হাসান আল বান্না, জয়নাল আবেদীন, তারেকুল ইসলাম সহ প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, গত ৩ জুলাই পঞ্চগড়ের ‘জুলাই পদযাত্রা’ চলাকালে এনসিপি নেতা সার্জিস আলম একটি বক্তব্যে বান্দরবানকে ‘শাস্তিস্বরূপ চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের পাঠানোর জায়গা’ হিসেবে উল্লেখ করেন।