• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তুরাগে দীর্ঘ সময় ধরে লোড শেডিং, প্রচন্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ তুরাগের বাউনিয়া-বাদালদী সড়কের বেহাল দশা, চোখে কালো কাপড় বেঁধে যুবকের একক প্রতিবাদ উত্তরায় দুর্ধর্ষ গৃহপরিচারিকা চোর চক্রের সদস্য আটক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গোলচত্বর এলাকা থেকে ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকার স্বর্ণসহ গাড়ি জব্দ উত্তরখানে ১৪ বছরের কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ তুরাগে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীর হাতে খুন আরেক মাদক ব্যবসায়ী উত্তরা পাসপোর্ট অফিসের সামনে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত, দালাল চক্রের ১৩ সদস্যের কারাদণ্ড উত্তরার মুগ্ধ মঞ্চে শহীদ পরিবারবর্গের অংশগ্রহণে জুলাই এক্সিভিশনের উদ্বোধন উত্তরায় র‍্যাবের গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনাল প্রতিনিধিদল উত্তরখান মাজার রোডের নরকযন্ত্রণা মুক্তি পেতে কলমের বদলে হাতে প্ল্যাকার্ড তুলে নিলেন শিক্ষক

আনোয়ারায় এসএসসিতে চরম ব্যর্থতা, পাস করেনি দেড় হাজারের বেশি শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৯২৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল এসেছে হতাশাজনক। মোট ৫১৯৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অকৃতকার্য হয়েছে ১৪৬৬ জন।

গত বছর উপজেলার গড় পাশের হার ছিল ৮২.৮০ শতাংশ। চলতি বছর তা কমে দাঁড়িয়েছে ৭২.০৭ শতাংশে।সাধারণ বোর্ডে ৪৩০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৮৯১ জন, অকৃতকার্য ১৪০৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২০ জন। মাদ্রাসা বোর্ডে ১১টি প্রতিষ্ঠানের ৬৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৬৩৬ জন, অকৃতকার্য ৩৭ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫২ জন।

কারিগরি বোর্ডে ৩টি প্রতিষ্ঠানের ২২২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২০২ জন, অকৃতকার্য ২০ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮ জন। মোট কৃতকার্য ৩৭২৯ জন, অকৃতকার্য ১৪৬৬ জন।

পাশের হারে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে মেরিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যেখানে পাশের হার মাত্র ৫২.২৩ শতাংশ। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষকের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়াও আরো বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধানের সাথে যোগাযোগ করলে তারা সাড়া দেননি।শতভাগ পাশ করেছে মাত্র একটি প্রতিষ্ঠান—সিইউএফএল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছে আনোয়ারা সরকারি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, মোট ৫০ জন। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক এস. এম. নাসির উদ্দীন বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের ক্লাসমুখী করতে পেরেছি বলেই এ অর্জন এসেছে। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ, অভিভাবকদের আন্তরিকতা এবং শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতার কারণেই এ সাফল্য সম্ভব হয়েছে।’

ফলাফল প্রকাশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন চাতরী ইউনিয়ন বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি এড. হাসান কায়েস। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীকে জোর করে পরীক্ষা দেওয়াটায় অভিভাবকদের প্রথম ভুল। মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলগুলোকে রাজনীতি মুক্তকরণসহ শিক্ষকের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে বেত আর কড়া শাসন। এর জন্য অভিভাবকদের হতে হবে আরও সচেতন। সন্তানের ভালো রেজাল্ট নির্ভর করে তার পরিবারের উপরে। নিয়মিত তদারকিও প্রয়োজন তাদের।’

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলকভাবে মূল পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়েছিল। ফলে পাশের হার কমে এসেছে।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!