
রাজধানীর তুরাগ থানা এলাকায় মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিরুদ্ধে এক অভূতপূর্ব প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন তুরাগ থানা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক। যুবসমাজকে অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং একটি সুস্থ-সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে তিনি মাদকের বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াইয়ে নেমেছেন। এলাকায় যেকোনো মূল্যে মাদক নির্মূল করার ঘোষণা দিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করছেন এই রাজনৈতিক নেতা।
মাদকের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা ও সরেজমিন অ্যাকশন
সম্প্রতি স্থানীয় মতবিনিময় সভায় বক্তব্যে সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক বলেন:
“আমি নিজে মাদক একদম পছন্দ করি না। আমার এলাকায় কাউকে মাদক খেতেও দেব না, কাউকে বিক্রি করতেও দেব না। সারা বাংলাদেশে কী হচ্ছে সেটা আমার দেখার বিষয় নয়, তবে আমার তুরাগ থানা এলাকায় মাদকের কেনাবেচা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।”
তিনি জানান, শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবেও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তুরাগে যেখানেই মাদক সেবন বা বিক্রির খবর পাওয়া যাচ্ছে, জড়িতদের ধরে সরাসরি আইনের আওতায় ও পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হচ্ছে। যুব সমাজকে ভালো রাখা এবং সমাজকে মাদকমুক্ত করাই এই লড়াইয়ের মূল উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি।
শ্রমিক দল নেতা সিদ্দিকের এই সাহসী উদ্যোগের পর থেকে তুরাগ এলাকার সাধারণ মানুষ, অভিভাবক ও যুবকদের মধ্যে স্বস্তি ও উদ্দীপনা দেখা গেছে। স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের বাসিন্দারা তাদের মতামত প্রকাশ করেছেন:
রহিম উদ্দিন (স্থানীয় ব্যবসায়ী):
“গলির মুখে বখাটেদের আড্ডা আর মাদকের বেচাকেনা আমাদের চিন্তায় ফেলে দিত। সিদ্দিক ভাই নিজে উদ্যোগ নেওয়ার পর পরিস্থিতি অনেক ভালো হয়েছে। এমন সাহসী নেতৃত্বই আমাদের দরকার ছিল।”
ফাতেমা খাতুন বলেন,
“সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সবসময় ভয়ে থাকতাম। সিদ্দিক সাহেব যেভাবে মাদক কারবারীদের ধরে আইনের হাতে দিচ্ছেন, তাতে আমরা মায়েরা অনেক বড় স্বস্তি পেয়েছি। আমরা পুরো এলাকাবাসী তার সাথে আছি।”
আরিফ হোসেন ( শিক্ষার্থী):
“তরুণ সমাজকে বাঁচাতে মাদক বন্ধের কোনো বিকল্প নেই। সিদ্দিক ভাই আমাদের যে পথ দেখাচ্ছেন, তাতে তুরাগের যুবসমাজ উদ্বুদ্ধ। আমরা উনার মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার এই লড়াইয়ে পাশে থাকব।”
তুরাগ থানার সচেতন মহলের মতে, রাজনীতি যখন সমাজ সংস্কারে কাজে লাগে, তখন তার সুফল সাধারণ মানুষ দ্রুত পায়। সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিকের এই মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আন্দোলন শুধু তুরাগেই নয়, পুরো রাজধানীর জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে এই লড়াই অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
এলেন বিশ্বাস