
আজ পবিত্র ইস্টার সানডে। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। বড়দিনের উৎসবের পর এটিই তাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। পবিত্র বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী, গুড ফ্রাইডেতে ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার তৃতীয় দিনে যিশুখ্রিস্ট মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে পুনরায় জীবিত হয়ে উঠেছিলেন। খ্রিস্টান ধর্মবিশ্বাসীদের কাছে যিশুর এই পুনরুত্থান হলো পাপ ও মৃত্যুর ওপর জীবনের জয়ের প্রতীক।
সকাল থেকেই রাজধানীর গির্জাগুলোতে বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। বর্ণিল আলোকসজ্জা আর ফুলের সাজে সাজানো হয়েছে উপাসনালয়গুলো। বিভিন্ন এলাকার গির্জাগুলোতে বিশ্বশান্তি এবং মানবজাতির কল্যাণ কামনায় সমবেত প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রার্থনা শেষে শুরু হয় ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ঘরে ঘরে নানা পদের খাবারের আয়োজন ও অতিথিদের আপ্যায়নের মাধ্যমে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ুক ইস্টার সানডের এই ভ্রাতৃত্ব ও ক্ষমার বাণী—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন ভক্তরা। এই উৎসব কেবল একটি সম্প্রদায়ের নয়, বরং এটি সারা বিশ্বের মানুষের মাঝে সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির বার্তা বহন করে আনে।