• রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
অদৃশ্য সিন্ডিকেটের দখলে উত্তরা বিআরটিএ: ভোগান্তির শেষ নেই সেবাগ্রহীতাদের ৩ স্ক্যানারই অচল: ঢাকা বিমানবন্দরে কার্গো বিপর্যয়ের মুখে তৈরি পোশাক রপ্তানি, বাড়ছে ঘুষের বাণিজ্য উত্তরায় চীনা নাগরিকদের সন্দেহজনক ভ্লগিং: আড়ালে কী? শাহজালালে নিয়ম মানছে না কেউ: ভিড় নিয়ন্ত্রণে অসহায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের অব্যবস্থাপনা: যাত্রী দুর্ভোগ নিরসনে জরুরি সংস্কার দাবি তুরাগে ১ কেজি গাঁজাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক উত্তরায় অবরোধে স্থবির টঙ্গী-বিমানবন্দর সড়ক: কয়েক কিলোমিটার জুড়ে গাড়ির সারি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে উত্তরায় শিক্ষার্থীদের ব্যাপক বিক্ষোভ ​ উত্তরা আব্দুল্লাহপুর মহাসড়কের বেহাল দশা ড্রেনেজ অব্যবস্থাপনায় জলাবদ্ধতা: দায় এড়াতে বাসিন্দাদের ওপর দোষারোপ ডিএনসিসি প্রশাসকের

পাকিস্তানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুঁশিয়ারি ভারতের সেনাপ্রধানের

সকালের রিপোর্ট ডেস্ক / ৬১১ Time View
Update : শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫

পাকিস্তানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। তিনি বলেছেন, ‘সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন বন্ধ করো, নইলে ভৌগোলিক উপস্থিতি হারাতে হবে।’

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, রাজস্থানের অনুপগড়ে একটি সেনা পোস্টে বক্তৃতা দিতে গিয়ে দ্বিবেদী এমন হুঁশিয়ারি দেন।

তিনি বলেন, ‘অপারেশন সিন্দুর ১.০-তে আমরা যে সংযম দেখিয়েছিলাম, এবার আমরা তা বজায় রাখব না। এবার আমরা এমন কিছু করব, যা পাকিস্তানকে ভাবতে বাধ্য করবে যে, তারা ভূগোলে তার স্থান ধরে রাখতে চায় কি না। যদি পাকিস্তান ভূগোলে তার স্থান ধরে রাখতে চায়, তাহলে তাদের অবশ্যই রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করতে হবে।’

প্রতিবেদন অনুসারে, শীর্ষ জেনারেল শুধু হুঁশিয়ারিই দেননি, সৈন্যদের প্রস্তুত থাকতেও বলেছেন। তিনি বলেন, ‘ঈশ্বরের ইচ্ছা হলে, তোমরা (সৈন্যরা) শিগগিরই একটি সুযোগ পাবে। শুভকামনা…।’

ভারতের সেনাপ্রধান আরও বলেন, অপারেশন সিন্দুরের সময় ভারত দৃঢ় সংকল্প করেছিল যে, কোনো নিরীহ প্রাণের ক্ষতি করা হবে না এবং কোনো সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হবে না। সন্ত্রাসীদের আস্তানা, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং তাদের মূল পরিকল্পনাকারীদের নির্মূল করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত মে মাসে কাশ্মীরের পেহেলগামে সশস্ত্র হামলার পর দুই দেশ প্রায় যুদ্ধের পরিস্থিতিতে চলে গিয়েছিল। দুই প্রতিবেশী উভয় দেশের ভেতরে বিমান হামলা চালায়। উভয় দেশ কয়েকটি করে যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি করেছে। উত্তেজনা তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক চাপ ও উভয় দেশের বোঝাপড়ার মাধ্যমে ১০ মে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!