
রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ফুড কোর্টগুলো ভাঙচুর ও উচ্ছেদে একাধিকবার অভিযান চালিয়েছে সিটি কর্পোরেশন ও স্থানীয় প্রশাসন। তবুও থামছে না দখলবাজি। প্রশাসনের অভিযানের পর কয়েক দিনের জন্য কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও, কিছুদিন পর আবারো নতুন করে গড়ে উঠছে দোকান ও খাবারের আড্ডাখানা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের পর দিন দখলদাররা বেআইনিভাবে জমি দখল করে ফুড কোর্ট বানাচ্ছে এবং বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় ব্যবসা চালাচ্ছে। এতে একদিকে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে বেআইনিভাবে গড়ে ওঠা এসব দোকানপাটের কারণে ভোগান্তিতে পড়ছেন এলাকাবাসী।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, একাধিকবার অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদ করা হলেও রাতারাতি আবারো বসে যাচ্ছে নতুন দোকান। এ সময় দোকানদারদের কাছ থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “প্রশাসন এলে দোকান গুটিয়ে ফেলে, কয়েকদিন পর আবারো নতুন করে চালু হয়। এতে এলাকার সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে, চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে।”
নগর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু উচ্ছেদ অভিযান নয়, এর স্থায়ী সমাধানে নিয়মিত তদারকি ও প্রভাবশালী দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় এই অবৈধ দখল বন্ধ করা সম্ভব হবে না।
দ্বিতীয় পর্বের প্রতিবেদনে যা যা থাকবে,
বাজারটি থেকে কত টাকা চাঁদাবাজি করা হয় কারা করে, সিটি কর্পোরেশনের ভূমিকা কি এবং তুরাগ থানা প্রশাসনের ভূমিকা কি অর্থপর উত্তরা ডিসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন হবে।