• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তুরাগে দীর্ঘ সময় ধরে লোড শেডিং, প্রচন্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ তুরাগের বাউনিয়া-বাদালদী সড়কের বেহাল দশা, চোখে কালো কাপড় বেঁধে যুবকের একক প্রতিবাদ উত্তরায় দুর্ধর্ষ গৃহপরিচারিকা চোর চক্রের সদস্য আটক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গোলচত্বর এলাকা থেকে ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকার স্বর্ণসহ গাড়ি জব্দ উত্তরখানে ১৪ বছরের কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ তুরাগে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীর হাতে খুন আরেক মাদক ব্যবসায়ী উত্তরা পাসপোর্ট অফিসের সামনে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত, দালাল চক্রের ১৩ সদস্যের কারাদণ্ড উত্তরার মুগ্ধ মঞ্চে শহীদ পরিবারবর্গের অংশগ্রহণে জুলাই এক্সিভিশনের উদ্বোধন উত্তরায় র‍্যাবের গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনাল প্রতিনিধিদল উত্তরখান মাজার রোডের নরকযন্ত্রণা মুক্তি পেতে কলমের বদলে হাতে প্ল্যাকার্ড তুলে নিলেন শিক্ষক

গজারিয়ায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলাৎকারের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৫৯ Time View
Update : রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় সাত বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলাৎকারের অভিযোগে এক মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক (নূরানী বিভাগ)কে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

অভিযোগে আটক ঐ মাদ্রাসা শিক্ষকের নাম মোঃ নোমান আহাম্মেদ (২১)। তিনি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার মুছাগাড়া গ্রামের মো: শাহজাহান মিয়ার ছেলে।

জানা যায়, ৭ বছর বয়সী ঐ শিশু উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের চর বাউশিয়া এলাকায় অবস্থিত গজারিয়া কলিম উল্লাহ মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। বাবা মো: হাসেন আলী স্থানীয় একটি ফ্যাক্টরীতে চাকুরীর সুবাদে স্থানীয় চর বাউশিয়া (পশ্চিম কান্দী) গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। তাদের স্থায়ী বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার বেড়া ডাকুরী গ্রামে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় মাদ্রাসা থেকে অভিযুক্ত ঐ শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তিনি ভুক্তভোগী ঐ শিশুকে জোরপূর্বক একাধিকবার বলাৎকারের কথা স্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর বাবা হাসেন আলী জানান, আজ সকালে বাচ্চাটা যখন মাদ্রাসা যেতে চাচ্ছে না, তখন তাঁকে কারণ জিজ্ঞাসা করলে জানায়, গতকাল শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টায় মাদ্রাসার সকল শিক্ষার্থী যখন খেলার মাঠে ব্যস্ত, তখন ঐ শিক্ষক আমার ছেলেকে মাদ্রাসার বাথরুমে নিয়ে বলাৎকার করতে চাইলে সে চিৎকার, চেচামেচি করে তখন তাকে ছেড়ে দেয়। এর পূর্বেও দুইবার বলাৎকার করেছে, তাই আর মাদ্রাসায় যেতে চাচ্ছে না। আমি এই নরপিশাচের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

 

এ বিষয়ে গজারিয়া কলিম উল্লাহ মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল কুদ্দুস ফারুকী বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য লজ্জাজনক। ঐ কুলাঙ্গার শিক্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।’

বিষয়টি নিয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো: শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক ও ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক অভিযুক্তকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।’

এসআর

 

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!