• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তুরাগে দীর্ঘ সময় ধরে লোড শেডিং, প্রচন্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ তুরাগের বাউনিয়া-বাদালদী সড়কের বেহাল দশা, চোখে কালো কাপড় বেঁধে যুবকের একক প্রতিবাদ উত্তরায় দুর্ধর্ষ গৃহপরিচারিকা চোর চক্রের সদস্য আটক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গোলচত্বর এলাকা থেকে ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকার স্বর্ণসহ গাড়ি জব্দ উত্তরখানে ১৪ বছরের কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ তুরাগে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীর হাতে খুন আরেক মাদক ব্যবসায়ী উত্তরা পাসপোর্ট অফিসের সামনে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত, দালাল চক্রের ১৩ সদস্যের কারাদণ্ড উত্তরার মুগ্ধ মঞ্চে শহীদ পরিবারবর্গের অংশগ্রহণে জুলাই এক্সিভিশনের উদ্বোধন উত্তরায় র‍্যাবের গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনাল প্রতিনিধিদল উত্তরখান মাজার রোডের নরকযন্ত্রণা মুক্তি পেতে কলমের বদলে হাতে প্ল্যাকার্ড তুলে নিলেন শিক্ষক

কারখানা দেখিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে মালিকরা পালিয়েছে : শ্রম উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬৬১ Time View
Update : রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫

কারখানা দেখিয়ে দেশের ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে মালিকরা দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন। রা শ্রমিকদের কথা চিন্তাও করেনি। সেটা এখন আমাদের চিন্তা করতে হচ্ছে।’ অন্তর্বর্তী সরকারের শ্রম ও কর্মস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এমন মন্তব্য করেছেন।

শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে সাভার পৌর এলাকার গেন্ডা বালুর মাঠে ‘জুলাই পুনর্জাগরণ-২০২৫’ পালন উপলক্ষ্যে শহীদদের স্মরণে শ্রমিক সমাবেশ-১ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

কারখানা মালিকদের ব্যাংক ঋণ দেওয়া প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, একটা ব্যাংক থেকে ৩৭ হাজার কোটি টাকা নিয়ে গেছে। তাহলে সেই ইন্ডাস্ট্রি চলবে কীভাবে? ৭-৫-১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ। যাকেই ধরি, যেই ব্যাংককেই ধরি সর্বনিম্ন এক হাজার কোটি টাকার নিচে কারো দেনা নাই। ব্যাংক যেহেতু নতুন করে সংগঠিত হচ্ছে, ব্যাংক আর নতুন করে টাকা দিচ্ছে না। তাদের জয়গা জমি বিক্রি করে চেষ্টা করছি টাকার যোগান দিতে। কয়েক জনকে আমি পুলিশের কাছে পাঠিয়েছি। ইতোমধ্যে তাদের জায়গা-জমি বিক্রি করার মতো অবস্থা হয়েছে। এর আগে বাংলাদেশে কখনো এমনটা হয়নি।

বন্ধ কারখানা নিয়ে তিনি বলেন, যেগুলো বন্ধ হয়েছে বা যেগুলো খারাপ অবস্থায় আছে সেগুলো বিজিএমইএর মেম্বার। তাদেরকে বলতে হবে বিজিএমইএ কী করবে। এতো দিন বিজিএমইএ ছিল না। এই জন্য শ্রম মন্ত্রণালয় এটার সঙ্গে জড়িত ছিল। যেগুলো বন্ধ হয়ে গেছে, সেগুলোকে পরিচালিত করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যেমন ধরুণ বেক্সিমকো পরিচালনার জন্য বিদেশি কিছু সংস্থা বাংলাদেশে আছে। এর মধ্যে তারা হয়তো আলোচনা করে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। তারা যদি অনুকূলে থাকে, তারা কারখানাটি পরিচালনা করবে।

শ্রমিকদের উদ্দেশ করে উপদেষ্টা বলেন, যারা বেকার হয়ে গেছে তাদের টাকা-পয়সা দেওয়া হয়েছে। কোনো শ্রমিককে বেকার করা আমার কাজ না। একটা শ্রমিক যদি কাজ না পায়, সে তো একা নয়। তার সঙ্গে তার পরিবার জড়িত, তার বাচ্চারা জড়িত তার স্ত্রী জড়িত। আমরা চেষ্টা করছি তারা যাতে কোনো ভাবেই বেকার না হয়।

এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদসহ স্থানীয় প্রশাসন এবং শতাধিক শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!