• সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:১৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তুরাগ দক্ষিনের যুব বিভাগের “প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫” অনুষ্ঠিত আমাদের উত্তরা ফাউন্ডেশন এর নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি আলী হোসেন, সম্পাদক এলেন বিশ্বাস নতুন টেন্ডার প্রক্রিয়া জনসাধারণের জন্য হুমকির মুখে – দাবী ঠিকাদারদের জামায়াত-শিবিরের কারণে গণঅধিকার-এনসিপি ক্ষতিগ্রস্ত: রাশেদ খান পাকিস্তানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুঁশিয়ারি ভারতের সেনাপ্রধানের সমঝোতা হলে ১০০ আসন ছেড়ে দিতে পারে জামায়াত’ টাঙ্গাইলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবি, থানায় জিডি বিএনপি শিগগিরই ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দেবে: সালাহউদ্দিন এনসিপি নেতা মাহিন তালুকদারের ছবি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার উত্তরায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে “আমাদের উত্তরা ফাউন্ডেশন”

এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে যৌতুক ও তালাকের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৮৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫

যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে তালাক নামা পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়ক রাজিন সালেহের বিরুদ্ধে। এমনকি তার আড়াই বছরের শিশু কন্যাকে স্ত্রীর কাছ থেকে জোর করে নিজের কাছে রেখে দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সকালে রাজিন সালেহের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার হাসি এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, ‘গত ৫ বছর আগে এনসিপি নেতা রাজিন সালেহের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। কিছুদিন যেতে না যেতেই আমার স্বামী আমাকে যৌতুকের জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। আমার এবং আমার পরিবারের সঙ্গে অবজ্ঞাসূচক আচরণ করতে থাকেন এবং আমাকে প্রায়ই মারধর করে আমার বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দিত। আমাদের সংসারে আড়াই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে বিধায় আমি আমার মেয়ের দিকে চেয়ে অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে সংসার করে আসছি।’

সুমাইয়া আরও বলেন, ‘দেড় বছর আগে আমার স্বামী রাজিন সালেহের পার্শ্ববর্তী গফরগাঁও উপজেলার দিঘীরপাড় আলিয়া মাদরাসায় কম্পিউটার অপারেটর পদে ১৩ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে চাকরি নেন। চাকরির টাকার জন্য আমার ৪ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার বিক্রি করে দেয়। এর কয়েকদিন পরেই আমাকে নতুন করে নির্যাতন শুরু করে। এক পর্যায়ে আমার স্বামী আমাকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। আমি বাধ্য হয়ে আমার বাবার বাড়ি চলে আসি।’

সুমাইয়া বলেন, ‘আমার অপরাধ শুধু একটাই। আমি যৌতুক দিতে পারিনি। মেয়েকে বুকে নিয়ে যেটুকু সহ্য করেছি, এখন সেটা পারছিনা। আমার সন্তানকেও আমার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’

অভিযুক্ত এনসিপি নেতা রাজিন সালেহ উপজেলার জাঙ্গালীয়া ইউনিয়নের তারাকান্দি গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে এবং এনসিপির পাকুন্দিয়া উপজেলার সমন্বয়ক কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী।

অভিযুক্ত স্বামী পাকুন্দিয়া উপজেলার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রধান সমন্বয়কারী রাজিন সালেহ বলেন, ‘আমি গত ২৭ তারিখ তাকে তালাক দিয়েছি আইন ও বিধি অনুযায়ী। তার যে কাবিনের টাকা তা আমি ডাকের মাধ্যমে জমা দিয়েছি। সে ডাকের চিঠি প্রত্যাখান করছে। মূলত একটি মহল আমাকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র করছে।’

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!