
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, জামায়াত শুধু বাংলাদেশেই নয়, ভারত ও পাকিস্তানেও রয়েছে। সেই কারণে তারা সাধারণের পাশে দাঁড়াতে পারে না। তারা কখনো মানুষের ভাষা বোঝে না, তারা শুধু নিজের মতলব হাসিল করতে চায়। কেয়ামত পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসতে পারবে না। এ কারণেই বলব, স্বাধীনতা যুদ্ধে যেমন আমাদের রক্ত রয়েছে, জীবনদান রয়েছে, শ্রম রয়েছে, তেমনি আন্দোলনেও আমাদের রক্তদান, শ্রম ও কষ্ট রয়েছে। এখন আওয়ামী লীগ নেই। এরপর বিএনপিও থাকবে না, তাহলে কি একাত্তরের রাজাকাররা দেশ চালাবে। এটা আমরা বেঁচে থাকতে মেনে নেবো না।
রবিবার (২০ জুলাই) দুপুর ১ টার দিকে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার দামলা এলাকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু’র নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সামনে এসব কথা বলেন তিনি।
গয়েশ্বর রায় বলেন, জামায়াতের যে সকল দফা-টফা, এগুলো সবই হলো নির্বাচনকে ভন্ডুল করার জন্য। এবার আওয়ামী লীগ নেই, সেই কারণে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে। এটা জামায়াত সহ্য করতে পারছে না। আমি নিশ্চিত, কেয়ামত পর্যন্ত বাংলাদেশে জামায়াতের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার কোনো সুযোগ নেই।
তিনি আরো বলেন, যারা একাত্তর সালকে স্বীকার করে না, যারা স্বাধীনতাকে স্মরণ করে না, যারা বলে পাকিস্তান-ভারতের যুদ্ধ হয়েছে, স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়নি, তাদের কথা শোনার মতো সময় বাংলাদেশের মানুষের নেই। তারা চক্রান্ত করুক, ষড়যন্ত্র করুক, নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করুক, আমরা তা মোকাবিলা করব।
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, জেলা বিএনপির সদস্য আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল ও জসিম মোল্লা, শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম, বিএনপি নেতা নুরুজ্জামান শিকদার, জেলা নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ হাসান ফাহাদ প্রমুখ।