• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
মোহাম্মদপরে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে দোয়া মাহফিল উত্তরায় বর্ণাঢ্য হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত উত্তরায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে দোয়া মাহফিল তুরাগে দীর্ঘ সময় ধরে লোড শেডিং, প্রচন্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ তুরাগের বাউনিয়া-বাদালদী সড়কের বেহাল দশা, চোখে কালো কাপড় বেঁধে যুবকের একক প্রতিবাদ উত্তরায় দুর্ধর্ষ গৃহপরিচারিকা চোর চক্রের সদস্য আটক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গোলচত্বর এলাকা থেকে ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকার স্বর্ণসহ গাড়ি জব্দ উত্তরখানে ১৪ বছরের কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ তুরাগে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীর হাতে খুন আরেক মাদক ব্যবসায়ী উত্তরা পাসপোর্ট অফিসের সামনে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত, দালাল চক্রের ১৩ সদস্যের কারাদণ্ড

নেপালের পর এবার ভারতে আন্দোলন শুরু

সকালের রিপোর্ট ডেস্ক / ২২৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নেপালে যখন জেন জিদের বিক্ষোভে রাজপথ প্রকম্পিত, ঠিক সেই সময় প্রতিবেশী ভারতেও দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। বিহার রাজ্যে হাজার হাজার চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষকের শূন্যপদ কমানোর প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন। ফলে রাজধানী পাটনার প্রধান সড়কগুলো কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (০৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে প্রায় ৩ হাজার তরুণ পাটনা কলেজ প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমারের বাসভবনের উদ্দেশে মিছিল শুরু করেন। কেতন মার্কেট, বকরগঞ্জ, গান্ধী ময়দান হয়ে ডাকবাংলো স্কয়ার পর্যন্ত এই মিছিল ছড়িয়ে পড়লে শহরের বেশিরভাগ অংশ অচল হয়ে যায়।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, সরকারের পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। অথচ শিক্ষামন্ত্রী সুনীল কুমার ৫ সেপ্টেম্বর ঘোষণা দেন, এবার নিয়োগ দেওয়া হবে মাত্র ২৬ হাজারের কিছু বেশি পদে। এ ঘোষণায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নেওয়া চাকরিপ্রত্যাশীরা।

ছাত্রনেতা দিলীপ কুমার অভিযোগ করেন, “যখন ডোমিসাইল নীতি কার্যকর হয়নি, তখন সরকার কখনো ৫০ হাজার, কখনো ৮০ হাজার, আবার কখনো ১ লাখ ২০ হাজার শূন্যপদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু নিয়ম চালু হওয়ার পর সেই সংখ্যা কমিয়ে ২৭ হাজার ৯১০ করা হয়েছে। এটি বিহারের তরুণদের সঙ্গে স্পষ্ট বিশ্বাসঘাতকতা।”

তার ভাষায়, আগে বাইরের রাজ্যের প্রার্থীদের টানতে ইচ্ছাকৃতভাবে বেশি শূন্যপদের সংখ্যা দেখানো হয়েছিল। এখন স্থানীয়দের জন্য সুযোগ রাখতেই পদ সংখ্যা অযৌক্তিকভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে তরুণদের মধ্যে গভীর হতাশা ও আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে।

আন্দোলনকারীরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমার এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী বহুবার প্রকাশ্যে ১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। অথচ এখন সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে সরকার তরুণ সমাজকে ঠকাচ্ছে।

এদিকে, সামনে বিধানসভা নির্বাচন থাকায় শিক্ষক নিয়োগ ইস্যুটি রাজনৈতিকভাবে আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে। চাকরিপ্রত্যাশীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, পূর্ণ শূন্যপদের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করা হলে আন্দোলন আরও বৃহত্তর আকার ধারণ করবে।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!