• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তুরাগে দীর্ঘ সময় ধরে লোড শেডিং, প্রচন্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ তুরাগের বাউনিয়া-বাদালদী সড়কের বেহাল দশা, চোখে কালো কাপড় বেঁধে যুবকের একক প্রতিবাদ উত্তরায় দুর্ধর্ষ গৃহপরিচারিকা চোর চক্রের সদস্য আটক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গোলচত্বর এলাকা থেকে ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকার স্বর্ণসহ গাড়ি জব্দ উত্তরখানে ১৪ বছরের কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ তুরাগে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীর হাতে খুন আরেক মাদক ব্যবসায়ী উত্তরা পাসপোর্ট অফিসের সামনে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত, দালাল চক্রের ১৩ সদস্যের কারাদণ্ড উত্তরার মুগ্ধ মঞ্চে শহীদ পরিবারবর্গের অংশগ্রহণে জুলাই এক্সিভিশনের উদ্বোধন উত্তরায় র‍্যাবের গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনাল প্রতিনিধিদল উত্তরখান মাজার রোডের নরকযন্ত্রণা মুক্তি পেতে কলমের বদলে হাতে প্ল্যাকার্ড তুলে নিলেন শিক্ষক

তুরাগে মাদক কারবারিদের আড়ালে মাদকসেবী আটক: অভিযানের নামে ‘রহস্যজনক বাণিজ্য’

Reporter Name / ১০৩ Time View
Update : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
Drug dealer under arrest confined with handcuffs and hands at his back, standing next to a wall. Focus on the handcuffs chain

 

রাজধানীর তুরাগ থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানের নামে মূল কারবারিদের বাদ দিয়ে কেবল খুচরা সেবনকারীদের লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাদক নির্মূলের চেয়ে অভিযানের আড়ালে এখানে চলছে এক ‘রহস্যজনক বাণিজ্য’। মাদক ব্যবসার মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকলেও পুলিশের হাতে নিয়মিত আটক হচ্ছে স্বল্প আয়ের মাদকসেবী বা ভাসমান মানুষ।

 

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, তুরাগের বিভিন্ন এলাকায় মাদকের আখড়া সম্পর্কে পুলিশ অবগত থাকলেও মূল ডিলাররা থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। অথচ নিয়মিত বিরতিতে পরিচালিত অভিযানে আটক করা হচ্ছে মাদকসেবীদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, অভিযানের সময় অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ মাদকসেবীদের আটক করে সমঝোতার মাধ্যমে অর্থ আদায় করছে, যা এক ধরনের ‘গ্রেপ্তার বাণিজ্য’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

 

একজন সচেতন নাগরিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা নিয়মিত দেখছি পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে, কিন্তু এলাকায় মাদকের সহজলভ্যতা আগের মতোই রয়ে গেছে। বড় কোনো ডিলার বা গডফাদার আটক হওয়ার খবর খুব একটা শোনা যায় না। পুলিশের জালে শুধু ধরা পড়ে সাধারণ মাদকসেবী। এটি কি মাদক নির্মূল নাকি লোক দেখানো অভিযান?”

 

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।  মাদকবিরোধী অভিযানের নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি না করে মাদকের মূল নেটওয়ার্ক ও এর নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

 

সাম্প্রতিক সময়ের অভিযানে মাদক কারবারিদের গ্রেফতারের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পুলিশের তৎপরতা মূলত খুচরা কারবারি বা সেবনকারীদের ওপরই বেশি কেন্দ্রীভূত।

 

মাদক নির্মূলে শুধু সেবনকারী বা ভাসমান কারবারিদের ধরলে দীর্ঘমেয়াদী সমাধান সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন মাদকের মূল উৎস এবং এর পেছনে থাকা সিন্ডিকেটকে ভেঙে দেওয়া। অন্যথায়, অভিযানের আড়ালে এই ‘রহস্যজনক বাণিজ্য’ কেবল সামাজিক অস্থিরতাই বাড়াবে।

তুরাগের সাধারণ মানুষের দাবি, লোক দেখানো অভিযান নয়, বরং মাদকের এই রমরমা বাণিজ্যের সাথে যারা জড়িত—সেই সব রাঘববোয়ালদের আইনের আওতায় এনে মাদকদ্রব্য নির্মূলে পুলিশ যেন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!