• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তুরাগে দীর্ঘ সময় ধরে লোড শেডিং, প্রচন্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ তুরাগের বাউনিয়া-বাদালদী সড়কের বেহাল দশা, চোখে কালো কাপড় বেঁধে যুবকের একক প্রতিবাদ উত্তরায় দুর্ধর্ষ গৃহপরিচারিকা চোর চক্রের সদস্য আটক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গোলচত্বর এলাকা থেকে ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকার স্বর্ণসহ গাড়ি জব্দ উত্তরখানে ১৪ বছরের কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ তুরাগে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীর হাতে খুন আরেক মাদক ব্যবসায়ী উত্তরা পাসপোর্ট অফিসের সামনে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত, দালাল চক্রের ১৩ সদস্যের কারাদণ্ড উত্তরার মুগ্ধ মঞ্চে শহীদ পরিবারবর্গের অংশগ্রহণে জুলাই এক্সিভিশনের উদ্বোধন উত্তরায় র‍্যাবের গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনাল প্রতিনিধিদল উত্তরখান মাজার রোডের নরকযন্ত্রণা মুক্তি পেতে কলমের বদলে হাতে প্ল্যাকার্ড তুলে নিলেন শিক্ষক

টাঙ্গাইলের বৃহত্তম পশুর হাটে ‘অনিয়ম’: ইজারা নিয়েই সাবলিজ-শেয়ার বাণিজ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৫৪৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার কাইতলা পশুর হাটের ইজারা নিয়ে সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে বর্তমান ইজারাদার মাসুদুর রহমানের বিরুদ্ধে। জেলার বৃহত্তম পশুর হাট হিসেবে পরিচিত এ হাটটির একাংশ অন্যের কাছে সাবলিজ দেওয়া এবং শেয়ার বিক্রির মতো অভিযোগ উঠে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন হাটের সাবেক ইজারাদার হেলাল উদ্দিন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ সর্বোচ্চ দর ৫ কোটি ২০ লাখ ৫ হাজার টাকায় উপজেলা প্রশাসন থেকে কাইতলা পশুর হাটটির ইজারা পান মাসুদুর রহমান। পহেলা বৈশাখে হাটের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি উপজেলার বাঁশতৈল গ্রামের বিল্লাল হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে হাটের একাংশ এক বছরের জন্য ২০ লাখ টাকায় লিজ দেন। অন্যদিকে, বাঁশতৈল ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের আল আমিন সিকদারের কাছে তিনি নোটারি এফিডেভিটের মাধ্যমে শতকরা ১৮ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেন ৯৩ লাখ টাকায়।

হাটের একাংশ লিজ নেওয়া বিল্লাল হোসেন মুঠোফোনে সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, ‘আমি মাসুদুর রহমানের কাছ থেকে চুক্তিপত্রের মাধ্যমে ছাগলের হাটটি এক বছরের জন্য সাবলিজ নিয়েছি।’ একইভাবে আল আমিন সিকদার বলেন, ‘৯৩ লাখ টাকায় এক বছরের জন্য ইজারাদার মাসুদুর রহমানের কাছ থেকে ১৮ শতাংশ শেয়ার কিনেছি।’

তবে ইজারাদার মাসুদুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘স্থানীয় গণ্যমান্যদের সুপারিশে ছাগলের হাটটি ৫২ সপ্তাহের জন্য ২০ লাখ টাকায় লিজ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, হাটের সাথে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত রাখতে মোট ৪০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছি। এতে কোনো শর্ত ভঙ্গ হয়নি।’

এদিকে হাটের সাবেক ইজারাদার হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘সরকারি নীতিমালা অনুসারে হাট সাবলিজ দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অথচ নতুন ইজারাদার নিয়ম ভঙ্গ করে হাটের একাংশ অন্যের কাছে তুলে দিয়েছেন। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।’

সরকারি হাটবাজার ব্যবস্থাপনা ও ইজারা নীতিমালার ৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ইজারাদার কোনো অবস্থাতেই হাট অন্যের কাছে সাবলিজ দিতে পারবেন না। এছাড়া, ১৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী চুক্তিপত্রের শর্ত লঙ্ঘন হলে ইজারা বাতিল করা যাবে।

 

এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.বি.এম আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘কাইতলা পশুর হাটের সাবলিজ বা শেয়ার বিক্রির বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

 

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!