• রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৩০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
অদৃশ্য সিন্ডিকেটের দখলে উত্তরা বিআরটিএ: ভোগান্তির শেষ নেই সেবাগ্রহীতাদের ৩ স্ক্যানারই অচল: ঢাকা বিমানবন্দরে কার্গো বিপর্যয়ের মুখে তৈরি পোশাক রপ্তানি, বাড়ছে ঘুষের বাণিজ্য উত্তরায় চীনা নাগরিকদের সন্দেহজনক ভ্লগিং: আড়ালে কী? শাহজালালে নিয়ম মানছে না কেউ: ভিড় নিয়ন্ত্রণে অসহায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের অব্যবস্থাপনা: যাত্রী দুর্ভোগ নিরসনে জরুরি সংস্কার দাবি তুরাগে ১ কেজি গাঁজাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক উত্তরায় অবরোধে স্থবির টঙ্গী-বিমানবন্দর সড়ক: কয়েক কিলোমিটার জুড়ে গাড়ির সারি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে উত্তরায় শিক্ষার্থীদের ব্যাপক বিক্ষোভ ​ উত্তরা আব্দুল্লাহপুর মহাসড়কের বেহাল দশা ড্রেনেজ অব্যবস্থাপনায় জলাবদ্ধতা: দায় এড়াতে বাসিন্দাদের ওপর দোষারোপ ডিএনসিসি প্রশাসকের

অদৃশ্য সিন্ডিকেটের দখলে উত্তরা বিআরটিএ: ভোগান্তির শেষ নেই সেবাগ্রহীতাদের

এলেন বিশ্বাস / ২৫ Time View
Update : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

অদৃশ্য সিন্ডিকেটের দখলে উত্তরা বিআরটিএ: ভোগান্তির শেষ নেই সেবাগ্রহীতাদের

 

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) উত্তরা-তুরাগ ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেল অফিসে ঘুষ, দুর্নীতি, জালিয়াতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার এখন চরমে। স্থানীয় প্রভাবশালী এবং মৌসুমি দালালদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন সাধারণ সেবাগ্রহীতারা। সরেজমিন অনুসন্ধান এবং ভুক্তভোগীদের সঙ্গে আলাপকালে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

 

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উত্তরা বিআরটিএ অফিসে ঘুষ লেনদেন এখন ওপেন সিক্রেট। নামিদামি মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারে দাপিয়ে বেড়ানো দালাল চক্রের সদস্যরা সাধারণ গ্রাহকদের নানাভাবে হয়রানি করছে। টাকা ছাড়া এখানে কোনো ফাইল নড়ে না বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। একজন সেবাগ্রহীতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বিআরটিএর ইটেও যেন লেখা আছে—টাকা দে, কাজ হবে।”

 

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার নাম করে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এই সিন্ডিকেট প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, ঘুষ না দিলে বৈধভাবে পরীক্ষা দিয়েও পাসের নিশ্চয়তা পাওয়া দুষ্কর।

 

 

বিআরটিএ অফিসের সামনের সরকারি জমি দখল করে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে খাবারের হোটেল, ফটোকপি ও চায়ের দোকান। অভিযোগ রয়েছে, এসব দোকানই মূলত দালালদের প্রধান আড্ডাখানা। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় এসব দখলদারি চলছে। ডিএনসিসি বা রাজউক মাঝে মাঝে উচ্ছেদ অভিযান চালালেও কয়েক দিন পরই আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে এলাকাটি। এর আগে র‍্যাবের অভিযানে অনেক দালাল গ্রেফতার হলেও জামিনে বেরিয়ে তারা আবারও একই কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে।

 

 

অনিয়মের বিষয়ে উত্তরা বিআরটিএর সহকারী পরিচালক মঈনুল ইসলাম সময়ের কন্ঠস্বর কে বলেন , বর্তমানে দালালের সংখ্যা অনেক কমেছে এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে স্থানীয় মানুষ ও ভুক্তভোগীদের মতে, দালালের সংখ্যা কমলেও তাদের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণের ধরন আরও ভয়ংকর হয়েছে।

 

এই বিশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি বন্ধে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং দুদকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

 

এলেন বিশ্বাস

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!