• বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তুরাগে ১ কেজি গাঁজাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক উত্তরায় অবরোধে স্থবির টঙ্গী-বিমানবন্দর সড়ক: কয়েক কিলোমিটার জুড়ে গাড়ির সারি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে উত্তরায় শিক্ষার্থীদের ব্যাপক বিক্ষোভ ​ উত্তরা আব্দুল্লাহপুর মহাসড়কের বেহাল দশা ড্রেনেজ অব্যবস্থাপনায় জলাবদ্ধতা: দায় এড়াতে বাসিন্দাদের ওপর দোষারোপ ডিএনসিসি প্রশাসকের ৫ ঘণ্টার জিম্মি দশা: বিমানে অসহনীয় ভোগান্তির শিকার ১৮২ যাত্রী বৈরী আবহাওয়া: শাহজালাল বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামায় চরম বিপর্যয় “কথার জাদুকর” হিরার প্রতারণার ফাঁদ: কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা এক বেলা মাংসের স্বাদে ভুলেছিল অভাব: সেই সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মানবিক গল্প” শাহজালালে ট্রলি সংকট চরম আকার: মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পরও কেনা হয়নি নতুন ট্রলি

উত্তরা আব্দুল্লাহপুর মহাসড়কের বেহাল দশা

এলেন বিশ্বাস / ১৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

 

রাজধানীর উত্তরায় আব্দুল্লাহপুর বাস টার্মিনাল সংলগ্ন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ দীর্ঘ দিন ধরে চরম বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। বিশেষ করে পোলওয়েল মার্কেটের সামনের রাস্তার বড় বড় গর্ত ও ভাঙাচোরা অংশ প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াতে বড় ধরনের বিড়ম্বনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

আব্দুল্লাহপুর এলাকাটি রাজধানী থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াতকারী দূরপাল্লার বাস ও ব্যক্তিগত যানবাহনের অন্যতম প্রধান করিডোর। কিন্তু রাস্তার বর্তমান জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে প্রতিনিয়ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন চালকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

ভুক্তভোগীদের কণ্ঠে ক্ষোভ ও হতাশা

 

দৈনিক এই পথে অফিস যাতায়াতকারী বেসরকারি চাকরিজীবী আব্দুর রহমান বলেন, প্রতিদিন সকালে অফিসে যাওয়ার সময় এই জ্যামে পড়ে আমার অন্তত এক ঘণ্টা সময় নষ্ট হয়। রাস্তার গর্তে গাড়ি পড়ে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। কর্তৃপক্ষ কি আমাদের এই দুর্ভোগ দেখছে না?

পোলওয়েল মার্কেটের সামনে দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ী মো. কামাল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রাস্তার অবস্থা এতটাই খারাপ যে, বৃষ্টির দিনে কাদা পানি দোকানে ঢুকে যায়। রাস্তার ধুলোবালিতে পথচলা দায়। আমরা বারবার বলার পরও সংস্কারের কোনো নাম নেই।

 

দূরপাল্লার বাসের চালক আবুল কালাম বলেন, গাড়ি নিয়ে এই পথ দিয়ে যাওয়া মানেই ইঞ্জিনের বারোটা বাজানো। বড় বড় গর্তে চাকা পড়ে এক্সেল ভেঙে যায়। যাত্রী নিয়ে এই জ্যামে আটকে থাকলে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হয় না।

 

স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান বলেন, রাস্তা দিয়ে হাঁটার কোনো উপায় নেই। রিকশা বা গাড়ি গর্ত পার হওয়ার সময় ছিটা পানি গায়ে পড়ে কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষের জন্য এই রাস্তা পার হওয়া এখন অনেকটা সাহসের কাজ।

 

ভুক্তভোগীরা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে যায়, যা পথচারীদের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়। এছাড়া যানজটের সুযোগ নিয়ে ছোট ছোট যানবাহন উল্টো পথে চলাচল করায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী যাত্রী ও রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সগুলোর জন্য এই সড়ক এখন বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কটি সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। দীর্ঘ দিন ধরে রাস্তার এই বেহাল দশা চলতে থাকলেও মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

জনদুর্ভোগ কমাতে এবং মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী যাত্রী ও স্থানীয়রা।

 

 

এলেন বিশ্বাস

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!