• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তুরাগে দীর্ঘ সময় ধরে লোড শেডিং, প্রচন্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ তুরাগের বাউনিয়া-বাদালদী সড়কের বেহাল দশা, চোখে কালো কাপড় বেঁধে যুবকের একক প্রতিবাদ উত্তরায় দুর্ধর্ষ গৃহপরিচারিকা চোর চক্রের সদস্য আটক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গোলচত্বর এলাকা থেকে ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকার স্বর্ণসহ গাড়ি জব্দ উত্তরখানে ১৪ বছরের কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ তুরাগে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীর হাতে খুন আরেক মাদক ব্যবসায়ী উত্তরা পাসপোর্ট অফিসের সামনে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত, দালাল চক্রের ১৩ সদস্যের কারাদণ্ড উত্তরার মুগ্ধ মঞ্চে শহীদ পরিবারবর্গের অংশগ্রহণে জুলাই এক্সিভিশনের উদ্বোধন উত্তরায় র‍্যাবের গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনাল প্রতিনিধিদল উত্তরখান মাজার রোডের নরকযন্ত্রণা মুক্তি পেতে কলমের বদলে হাতে প্ল্যাকার্ড তুলে নিলেন শিক্ষক

তথ্য চাইতেই সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা!

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪৯০ Time View
Update : শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫

কুমিল্লার হোমনায় তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করায় এক সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, হুমকি এবং তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। বুধবার (২৫ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ করেছেন দৈনিক সমকালের হোমনা ও মেঘনা প্রতিনিধি জুনায়েদ আহমেদ তিতাস।

জুনায়েদ আহমেদ বলেন, ২০২৪–২৫ অর্থবছরের বিভিন্ন প্রকল্পের বাজেট ও ব্যয় সংক্রান্ত তথ্য জানতে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন জমা দিই। পরে ইউএনও ক্ষেমালিকা চাকমা তা পিআইও শফিকুল ইসলামের কাছে পাঠান। আবেদনটি সরাসরি তার হাতেই তুলে দেন একজন কর্মকর্তা।

তার অভিযোগ, এরপর তিনি আবেদনটির রিসিভ কপি চাইলে পিআইও শফিকুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলেন, তুই বেশি জানিস, তোকে এখনই পুলিশে দিচ্ছি। একপর্যায়ে তার হাত থেকে মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করেন ওই কর্মকর্তা।

ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন  প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, আমি নিজে দাঁড়িয়ে ছিলাম। একজন কর্মকর্তার এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ দেখে হতবাক হয়েছি। সাংবাদিকের সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্ষেমালিকা চাকমার সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। পিআইও শফিকুল ইসলামের মুঠোফোনেও একাধিকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনার পর স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হোমনার সাংবাদিকরা বলছেন, তথ্য অধিকার আইন একটি সাংবিধানিক বিষয়। সে অনুযায়ী একজন নাগরিক হিসেবে তথ্য চাওয়া এবং তা পাওয়ার অধিকার থাকলেও সরকারি এক কর্মকর্তা যদি এমন আচরণ করেন, তাহলে মাঠ প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির কোনো ভিত্তি থাকবে না। তারা দ্রুত তদন্ত করে পিআইও শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এদিকে ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!