
ঢাকার উত্তরায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার সময় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিভিন্ন শাখার ক্লাস চলছিল। হঠাৎ বিকট শব্দে বিমানটি ভেঙে পড়লে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
মাইলস্টোন কলেজের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) বুলবুল আহমেদ জানান, ঘটনার সময় আমাদের প্রথম থেকে সপ্তম শ্রেণির ক্লাস চলছিল। বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়ে, শিক্ষকরা দ্রুত তাদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে তৎপর হন। আমরা সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তা করি। তবে হতাহতের সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য তিনি জানাতে পারেননি।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৬ জন দগ্ধ হয়েছেন। এদের মধ্যে বেশির ভাগই শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। মিজানুর রহমান নামে মাইলস্টোন কলেজের একজন কর্মকর্তা বলেন, কলেজ এরিয়ার মাঝে বিমানটি পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাতে আগুন ধরে যায়। এতে একজন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। এছাড়া অনেক হতাহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন।
এদিকে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানায়, বিমানটি দুপুর ১টা ৬ মিনিটে উড্ডয়ন করেছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই এটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিমানটির পাইলট ছিলেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম সাগর। বিমানে তিনি একাই ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি উদ্ধার অভিযানে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবিসহ স্থানীয় জনতা এবং শিক্ষার্থী-অভিভাবকরাও যোগ দিয়েছেন।