• বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তুরাগে মাদক কারবারিদের আড়ালে মাদকসেবী আটক: অভিযানের নামে ‘রহস্যজনক বাণিজ্য’ দিয়াবাড়ীতে সরকারি খাল গিলে খাচ্ছে অবৈধ কাইকিং সিন্ডিকেট, প্রশাসন নির্বিকার উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি খালিদ মুনসুর টানা দ্বিতীয়বার ডিএমপির ‘সেরা’ সড়কবাতি ও সিসিটিভিহীন উত্তরা মডেল টাউন এখন ছিনতাইকারীদের কবলে! লাগেজ হাতে যাত্রী, কোলে বাচ্চা: মেট্রো স্টেশনগুলোতে রিকশার চিপায় রুদ্ধশ্বাস যাতায়াত সতর্ক না হলেই সর্বনাশ! উত্তরার অভিজাত এলাকায় সক্রিয় ‘হানি ট্র্যাপ’ বাণিজ্য ক্ষুদ্র ব্যবসায় কর আরোপ: প্রভাব পড়তে পারে সাধারণ ভোক্তার পকেটে শাহজালালে দুবাই ফেরত বিমানে ১৯ কেজি স্বর্ণ জব্দ, বাজারমূল্য ৪৫ কোটি টাকা দুবাই-ঢাকা স্বর্ণ চোরাচালান রুট: সাড়ে ৫ বছরে ৩ হাজার ৭০০ কোটির সোনা জব্দ গাড়ির নিচে ছিল শিশু ফাতেমা, মাথার চামড়া উপড়ে রক্তাক্ত; চালক আটক

লাগেজ হাতে যাত্রী, কোলে বাচ্চা: মেট্রো স্টেশনগুলোতে রিকশার চিপায় রুদ্ধশ্বাস যাতায়াত

Reporter Name / ২০ Time View
Update : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

 

ঢাকাবাসীর যাতায়াতে গতি আর স্বস্তি এনে দিয়েছে স্বপ্নের মেট্রোরেল। তবে এই আধুনিক গণপরিবহন থেকে নামার পরেই যাত্রীদের পড়তে হচ্ছে চরম বাস্তবতার মুখে। বিশেষ করে উত্তরা উত্তরসহ বেশ কয়েকটি ব্যস্ত স্টেশনের মূল গেটেই প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে শত শত রিকশার অবৈধ জটলা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, স্টেশন থেকে বের হওয়ার মূল পথ আটকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকে প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি রিকশা। কোনো কোনো স্টেশনের নিচে ফুটপাত বা সাধারণ মানুষের হাঁটার মতো রাস্তাটুকুও অবশিষ্ট নেই। ফলে ট্রেন থেকে নেমে বয়স্ক মানুষ, কোলে বাচ্চা নিয়ে নারী কিংবা ভারী লাগেজ হাতে থাকা যাত্রীদের এই রিকশার চিপা দিয়ে এক প্রকার ‘যুদ্ধ’ করে পার হতে হচ্ছে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে উত্তরা উত্তর স্টেশনের এক নিয়মিত রহমত আলী যাত্রী বলেন,

মেট্রো দিয়ে তো দ্রুত এবং শান্তিতে আসলাম, কিন্তু স্টেশনের গেটে এসে যে জটলায় পড়লাম তাতে মনে হচ্ছে মেট্রোরেলটা আমাদের জন্য না, বরং রিকশাচালকদের সুবিধার জন্য বানানো হয়েছে। লাগেজ নিয়ে এই জটলা পার হওয়া যে কী কষ্টের, তা ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝবে না।

যা বলছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ (DMTCL):

এ বিষয়ে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)-এর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, স্টেশনের ভেতরের শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব তাদের হলেও বাইরের রাস্তা বা ফুটপাত নিয়ন্ত্রণের আইনি এখতিয়ার তাদের নেই।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন,

স্টেশনের গেটের বাইরের অংশটি সিটি কর্পোরেশন এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের অধীনে। তবে যাত্রীদের এই দুর্ভোগের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা ইতিপূর্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে স্টেশন সংলগ্ন এলাকা রিকশা ও হকারমুক্ত রাখার অনুরোধ জানিয়েছি। যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে আমরা আবারও ট্রাফিক পুলিশের সাথে সমন্বয় করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেবো।

 

অন্যদিকে তুরাগ থানা এলাকায় ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্বরত টিআই কর্মকর্তা জানান, তারা নিয়মিতই স্টেশনগুলোর সামনে থেকে অবৈধ রিকশা ও হকার উচ্ছেদে অভিযান চালান। কিন্তু পুলিশ চলে যাওয়ার পরপরই চালকেরা আবারও এসে গেট ব্লক করে দাঁড়ায়।

তিনি বলেন, মেট্রো স্টেশনগুলোর সামনে যাত্রীদের চাপ বেশি থাকায় রিকশাচালকরা সেখানেই জটলা পাকায়। আমরা এখানে স্থায়ীভাবে শৃঙ্খলা ফেরাতে কাজ করছি। প্রয়োজনে স্টেশনের সামনে ‘নো পার্কিং’ জোন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা ও জরিমানা আরও জোরদার করা হবে।”

বিশ্বমানের এই যোগাযোগ ব্যবস্থার সুফল পুরোপুরি ধরে রাখতে স্টেশনের প্রবেশ ও বাহির পথগুলো দ্রুত রিকশামুক্ত ও সচল করার দাবি সাধারণ নগরবাসীর।

 

এলেন বিশ্বাস

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!