• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বৃহত্তর জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান নেতানিয়াহুর, আজ বৈঠকে বসছেন বিরোধীরা আয়–উপার্জনে বরকত পেতে নবীজির শেখানো ৫ আমল ক্ষমতাসীনেরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে জেতে না, তবে আমরা জোর চেষ্টা চালাচ্ছি: ট্রাম্প জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারী নেই, টিআইবির এ তথ্য অসত্য: মিয়া গোলাম পরওয়ার মধ্যবর্তী নির্বাচন : হেরে গেলে বাকি দুবছর কীভাবে সামাল দেবেন ট্রাম্প দলীয় নেতার সমর্থন হারানোর দিনই আল–সাইয়েদের তহবিলে রেকর্ড অর্থ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে প্রাক্তন ছাত্রকে মারধর করে পুলিশে দিল ছাত্রদল বিক্ষোভ-ভাঙচুর, ৩য় দিনে ৪ শতাধিক কারখানায় ছুটি চুম্বন, প্রেম থেকে ঝগড়া, ‘বিগ বস’–এ আলোচিত কে এই নন্দিনী আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশনের পানির পাম্পে ককটেল বিস্ফোরণ

ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকিতে শেষ হলো যুদ্ধবিরতি

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন অঞ্চলে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা ওলেশকি শহরকে ঘিরে কার্যকর যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে এ যুদ্ধবিরতি শেষ হয় বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের এক কর্মকর্তা। যুদ্ধের শুরু থেকে এটিই ছিল সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের স্থানীয় যুদ্ধবিরতি।

ইউক্রেনের মানবাধিকার কমিশনার দিমিত্রো লুবিনেৎস বলেন, ২৭ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি কার্যকর ছিল।

.

রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু করে। সে সময় রুশ সেনারা ওলেশকি শহরটি দখলে নেয়। শহরটি নিপার নদীর বাম তীরে, খেরসন শহরের বিপরীত পাশে অবস্থিত। ২০২২ সালের নভেম্বরে ইউক্রেনীয় বাহিনী খেরসন শহর ও নদীর পশ্চিম তীরের এলাকা পুনর্দখল করলেও ওলেশকি রুশ নিয়ন্ত্রণেই থেকে যায়।

যুদ্ধের কারণে শহরটিতে বেসামরিক মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়ে। খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের সংকট দেখা দেয়। শহরটিতে থাকা প্রায় ১ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং যাঁরা চলে যেতে চান, তাঁদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

.

গত ২৩ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প জানান, ওলেশকিতে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে সমঝোতা হয়েছে। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে লুবিনেৎস এবং রাশিয়ার পক্ষ থেকে দেশটির মানবাধিকারবিষয়ক কমিশনার ইয়ানা লান্ত্রাতোভা এ উদ্যোগের সমন্বয় করেন। সমঝোতায় যুদ্ধবিরতি, মানবিক সহায়তা পৌঁছানো, মাইন অপসারণ এবং বেসামরিক লোকজনের নিরাপদে চলাচলের সুযোগ রাখার কথা ছিল।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইউক্রেনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, দুই পক্ষই নির্ধারিত এলাকায় তা মেনে চলছে। সহায়তা পৌঁছানোর পথ থেকে মাইন সরানোর কাজও শুরু হয়েছিল। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ায় ওলেশকিতে মানবিক কার্যক্রম ও বেসামরিক লোকজন সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ কীভাবে এগোবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!