• রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
এক বেলা মাংসের স্বাদে ভুলেছিল অভাব: সেই সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মানবিক গল্প” শাহজালালে ট্রলি সংকট চরম আকার: মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পরও কেনা হয়নি নতুন ট্রলি পাঠাও চালক যখন ধর্ষক: রাইড শেয়ারিংয়ের পরিচয়ে তরুণীকে অফিসে নিয়ে ধর্ষণ ধোঁয়ায় মরে না মশা: লার্ভা ধ্বংস না করে লোকদেখানো কার্যক্রম উত্তরায় ৯৬১ বোতল ফেনসিডিল ও ২ লাখ ৯০ হাজার টাকাসহ আটক ১ সুবিধাবঞ্চিতদের স্বপ্ন পূরণে নীরবে এগিয়ে চলেছে ‘আমাদের উত্তরা ফাউন্ডেশন’ ক্ষমতা নয়, পাঠকের আস্থাই হোক গণমাধ্যমের আসল শক্তি লাইটার পিস্তল’ দিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের তাণ্ডব: জনমনে চরম আতঙ্ক বিমানের কর্মীরা কাজে নয়, ঘুমিয়ে পকেট ভরছেন ওভারটাইমের টাকা  তুরাগে মাদক কারবারিদের আড়ালে মাদকসেবী আটক: অভিযানের নামে ‘রহস্যজনক বাণিজ্য’

ধোঁয়ায় মরে না মশা: লার্ভা ধ্বংস না করে লোকদেখানো কার্যক্রম

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

 

রাজধানীতে মশার উপদ্রব কমানোর লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ধোঁয়া ছড়ানোর (ফগিং) ক্রাশ প্রোগ্রাম নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে। ফগার মেশিন দিয়ে চারদিক ধোঁয়ায় অন্ধকার করে দেওয়া হলেও মশা মরছে না বলে অভিযোগ নগরবাসীর। ফলে লার্ভা ধ্বংসের মূল কাজ বাদ দিয়ে কোটি কোটি টাকা খরচ করে চালানো এই কার্যক্রমকে লোকদেখানো বলে আখ্যায়িত করছেন ভুক্তভোগীরা।

 

 

 

বিগত কয়েকদিন ধরেই ঢাকা উত্তরের বিভিন্ন এলাকায় ডিএনসিসির গাড়িগুলোকে রাস্তায় নেমে মশা নিধনের ধোঁয়া ছড়াতে দেখা যাচ্ছে। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, মশক নিধনকর্মীরা শুধু ধোঁয়া দিয়েই স্থান ত্যাগ করছেন, কিন্তু তাতে মশার উপদ্রব বিন্দুমাত্র কমছে না।

 

উত্তরার উত্তরখান এলাকার এক বাসিন্দা আনিস আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সিটি কর্পোরেশনের গাড়ি এসে ধোঁয়া দিয়ে যাওয়ার পাঁচ মিনিট পরই আবার ঝাঁকে ঝাঁকে মশা কামড়ানো শুরু করে। ধোঁয়ায় আমাদের চোখ-মুখ জ্বলে, শ্বাস নিতে কষ্ট হয়; কিন্তু মশা ঠিকই বেঁচে থাকে।

 

বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই এমন লোকদেখানো পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে ঘরে ঘরে।

 

 

ডিএনসিসির এই কর্মকাণ্ড নিয়ে এখন জনমনে বড় প্রশ্ন ধোঁয়া দেখানো হচ্ছে, নাকি সত্যিই মশা মারা হচ্ছে? স্থানীয়দের দাবি, প্রতি বছর মশা নিধনের নামে যে কোটি কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করা হয়, তার সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না। মশার আসল উৎস ধ্বংস না করে কেবল রাস্তায় ধোঁয়া উড়িয়ে জনগণের চোখের সামনে একটি ‘কাজ করার নাটক’ সাজানো হচ্ছে মাত্র।

 

 

কীটতত্ত্ববিদ ও জনস্বাস্থ্য মতে, উড়ন্ত মশা মারার জন্য ফগিং বা ধোঁয়া ছড়ানো একটি সাময়িক এবং অত্যন্ত কম কার্যকর পদ্ধতি।

 

শুধু ধোঁয়া দিয়ে মশা নিধন কখনোই সম্ভব নয়। যতক্ষণ না পর্যন্ত মশার প্রজননস্থল অর্থাৎ বাসাবাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন এবং লার্ভা ধ্বংস (সোর্স রিডাকশন) করা যাচ্ছে, ততক্ষণ মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করা যাবে না।

ফগিংয়ে যে রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে, মশা সেটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা (রেজিস্ট্যান্স) গড়ে তুলেছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা জরুরি।

 

নগরবাসীর দাবি, ধোঁয়ার পেছনে কোটি টাকা অপচয় বন্ধ করে সিটি কর্পোরেশন যেন মশার উৎস নির্মূলে এবং লার্ভা ধ্বংসে চিরুনি অভিযানে আরও বেশি মনোযোগী হয়।

 

 

এলেন বিশ্বাস

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!