• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ময়লা পানিতে ‘মশার চাষ’ হাউজ বিল্ডিং ইউটার্নে দুর্গন্ধ আর ডেঙ্গুর আতঙ্কে পথচারী জনকল্যাণে ‘কথা কম, কাজ বেশি’ নীতিতে এগোচ্ছে ডিএনসিসি তুরাগে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লড়াইয়ে শ্রমিক দল নেতা সিদ্দিক অ্যাম্বুলেন্স ঢোকে না, রিকশাও চলে না: কাদা-পানিতে অবরুদ্ধ দক্ষিণখানের হাজারো জীবন শাহজালাল বিমানবন্দরে ১১.৮ কেজি উন্নত জাতের গাঁজাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার টানা বৃষ্টিতে আগুন সবজির বাজারে, কাঁচা মরিচ ২৮০ টাকা শাহজালালে ৬১ ভরি স্বর্ণসহ যাত্রী আটক আব্দুল্লাহপুর ফ্লাইওভারের সংযোগ সড়ক বন্ধ চরম ভোগান্তিতে উত্তরা-টঙ্গীর হাজারো মানুষ মাইলস্টোন দুর্ঘটনার এক বছরেও বদলায়নি দৃশ্যপট: ঝুলে আছে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন উচ্ছেদের উদ্যোগ পরিবেশ রক্ষায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির উদ্যোগে উত্তরা রাজউক অ্যাপার্টমেন্টে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী

ডিগ্রি নেই, তবুও ‘বিশেষজ্ঞ ডাক্তার’!

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৭০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় চিকিৎসা সেবার নামে প্রতারণা, অপারেশন টেবিলে রোগীর জীবন নিয়ে খেলা! ডিগ্রি নেই, অনুমোদন নেই, তবু নিজেদের ‘বিশেষজ্ঞ’ বলে চালিয়ে অপারেশন থেকে শুরু করে জীবনরক্ষাকারী অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার পর্যন্ত করতেন দুই পল্লী চিকিৎসক। শেষমেশ অভিযানে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এই ভুয়া চিকিৎসা বাণিজ্যের মুখোশ উন্মোচন করে।

অভিযুক্ত দুই পল্লী চিকিৎসক হলেন, ঠাকুরদিঘীর পাড় এলাকার মসজিদ মার্কেটের মো. এহসান হাবীব এবং ছমদিয়া পুকুর পাড় এলাকার সুকুমার দে। তারা কেউই কোনো প্রকার এমবিবিএস কিংবা অনুমোদিত চিকিৎসা ডিগ্রিধারী নন। অথচ নিজেদের ‘জটিল ও কঠিন রোগের বিশেষজ্ঞ’ দাবি করে সাধারণ রোগীদের সঙ্গে বছরের পর বছর প্রতারণা করে আসছিলেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, তাদের প্রতিষ্ঠানে গাইনী অপারেশন থেকে শুরু করে ছোট-বড় বিভিন্ন ধরনের সার্জারি গোপনে পরিচালনা করা হতো। ব্যবহৃত হতো মজুদ করা উচ্চক্ষমতার অ্যান্টিবায়োটিক ও নিষিদ্ধ ইনজেকশন। স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো অনুমোদন ছাড়াই চলছিল এই অবৈধ চিকিৎসা ব্যবসা।

বুধবার (৬ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার মাহমুদুল হাসান।

তার নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর আওতায় মো. এহসান হাবীব ও সুকুমার দে–কে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

এ সময় অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক।

অভিযান শেষে তাদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে এমন কর্মকাণ্ডে আর না জড়ানোর মুচলেকা নেওয়া হয়। ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলমান থাকবে বলে জানান ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!