• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
যৌন নিপীড়নে জিরো টলারেন্স, অভিযোগের নামে মব জাস্টিস নয়: আশরাফ মাহদী সরকার গঠনে নেতানিয়াহুকে পাশে চান আইজেনকোট গোপনে নারীদের ভিডিও ধারণের অভিযোগ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির ফখরুল, সেক্রেটারি শাহজাহান বিএনপির দু্পক্ষের বিরোধ, বিপ্লব ও সংহতি দিবসের র‍্যালিতে ককটেল বিস্ফোরণ সৌদি আরবের কিং খালিদ বিমানবন্দরে হামলার দাবি হুথিদের বিয়ের জোরালো ইঙ্গিত দিলেন নীহা, মসজিদুল হারামে ছবি প্রকাশ দেবিদ্বারে বিএনপির পাল্টাপাল্টি সভা, এমপির গাড়িবহরে হামলা নির্বাচনে জয়ের পর এবার প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়াচ্ছে সার্বিয়ার শিক্ষার্থী জোট প্রশিক্ষণ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন সরকারের উচ্চপদস্থ ৩৪ কর্মকর্তা

ভারত মহাসাগরে বাড়ছে চীনের আধিপত্য, নৌবহরে ৪০০-এর বেশি জাহাজ

Reporter Name / ২৩ Time View
Update : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

চীনের নৌবাহিনী এখন আর শুধু নিজ দেশের উপকূলীয় জলসীমায় সীমাবদ্ধ নেই। দক্ষিণ চীন সাগর থেকে জাপান ও তাইওয়ানের আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ নৌ ও বাণিজ্যিক পথে প্রতিদিন প্রায় ১০০টি চীনা যুদ্ধজাহাজ চলাচল করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।চীনের নৌবাহিনীর ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনাবিদদের বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। জাহাজের সংখ্যায় চীন ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে গেছে। পাশাপাশি দেশটির নৌবহর যে গতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে, ওয়াশিংটনের পক্ষে সেই গতির সঙ্গে তাল মেলানো কঠিন হয়ে পড়ছে।দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল পর্যালোচিত যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চীনের নৌবাহিনীতে বর্তমানে ৪০০টির বেশি যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন রয়েছে। জাহাজের সংখ্যার হিসাবে এটি মার্কিন নৌবহরের চেয়ে প্রায় ৩৫ শতাংশ বেশি।চীনের হাতে বর্তমানে তিনটি বিমানবাহী রণতরি রয়েছে। চতুর্থটি নির্মাণাধীন। পশ্চিমা বিশেষজ্ঞদের ধারণা, নতুন এই রণতরিটি পারমাণবিক শক্তিচালিত হতে পারে। আধুনিক ইতিহাসে শান্তিকালীন সময়ে নৌবাহিনীর অন্যতম বৃহৎ সম্প্রসারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে চীনের এই উদ্যোগকে।এশিয়ার বিভিন্ন জলসীমায় ছড়িয়ে পড়ছে চীনা যুদ্ধজাহাজচীনের নৌ তৎপরতা এখন এশিয়ার বিস্তীর্ণ জলসীমাজুড়ে। দেশটির যুদ্ধজাহাজ দক্ষিণ চীন সাগর, তাইওয়ানের আশপাশ, ফিলিপাইনের পূর্বাঞ্চল এবং জাপানের দক্ষিণ উপকূলে চলাচল করছে। এর বাইরেও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে নিয়মিত উপস্থিতি বাড়াচ্ছে তারা। এ ছাড়া এডেন উপসাগরেও নিয়মিত নৌবহর মোতায়েন করছে বেইজিং।চীনা নৌবাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের হিসাবে, যেকোনো সময়ে তাইওয়ানের আশপাশের জলসীমায় চীনের প্রায় ছয়টি যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করে। সামরিক মহড়ার সময় এ সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।দক্ষিণ চীন সাগরে চীনা যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি এর প্রায় তিন গুণ। এ অঞ্চলের বিভিন্ন দ্বীপ ও জলসীমার মালিকানা নিয়ে ফিলিপাইন ও ভিয়েতনামের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধে জড়িত চীন।তবে বেইজিংয়ের লক্ষ্য কেবল যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা বাড়ানো নয়। নিজেদের উপকূলীয় জলসীমার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, বিরোধপূর্ণ ভূখণ্ডের দাবিকে শক্তিশালী করা এবং ভবিষ্যতে কোনো সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ ঠেকানোও চীনের কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ।এমএমআর

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!