• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
অপরাধ দমনে অসামান্য অবদান: পিপিএম পদক পেলেন উত্তরা বিভাগের ডিসি মির্জা তারেক মোহাম্মদপরে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে দোয়া মাহফিল উত্তরায় বর্ণাঢ্য হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত উত্তরায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে দোয়া মাহফিল তুরাগে দীর্ঘ সময় ধরে লোড শেডিং, প্রচন্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ তুরাগের বাউনিয়া-বাদালদী সড়কের বেহাল দশা, চোখে কালো কাপড় বেঁধে যুবকের একক প্রতিবাদ উত্তরায় দুর্ধর্ষ গৃহপরিচারিকা চোর চক্রের সদস্য আটক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গোলচত্বর এলাকা থেকে ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকার স্বর্ণসহ গাড়ি জব্দ উত্তরখানে ১৪ বছরের কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ তুরাগে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীর হাতে খুন আরেক মাদক ব্যবসায়ী

উত্তরা আব্দুল্লাহপুর মহাসড়কের বেহাল দশা

এলেন বিশ্বাস / ১৭৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

 

রাজধানীর উত্তরায় আব্দুল্লাহপুর বাস টার্মিনাল সংলগ্ন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ দীর্ঘ দিন ধরে চরম বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। বিশেষ করে পোলওয়েল মার্কেটের সামনের রাস্তার বড় বড় গর্ত ও ভাঙাচোরা অংশ প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াতে বড় ধরনের বিড়ম্বনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

আব্দুল্লাহপুর এলাকাটি রাজধানী থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াতকারী দূরপাল্লার বাস ও ব্যক্তিগত যানবাহনের অন্যতম প্রধান করিডোর। কিন্তু রাস্তার বর্তমান জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে প্রতিনিয়ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন চালকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

ভুক্তভোগীদের কণ্ঠে ক্ষোভ ও হতাশা

 

দৈনিক এই পথে অফিস যাতায়াতকারী বেসরকারি চাকরিজীবী আব্দুর রহমান বলেন, প্রতিদিন সকালে অফিসে যাওয়ার সময় এই জ্যামে পড়ে আমার অন্তত এক ঘণ্টা সময় নষ্ট হয়। রাস্তার গর্তে গাড়ি পড়ে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। কর্তৃপক্ষ কি আমাদের এই দুর্ভোগ দেখছে না?

পোলওয়েল মার্কেটের সামনে দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ী মো. কামাল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রাস্তার অবস্থা এতটাই খারাপ যে, বৃষ্টির দিনে কাদা পানি দোকানে ঢুকে যায়। রাস্তার ধুলোবালিতে পথচলা দায়। আমরা বারবার বলার পরও সংস্কারের কোনো নাম নেই।

 

দূরপাল্লার বাসের চালক আবুল কালাম বলেন, গাড়ি নিয়ে এই পথ দিয়ে যাওয়া মানেই ইঞ্জিনের বারোটা বাজানো। বড় বড় গর্তে চাকা পড়ে এক্সেল ভেঙে যায়। যাত্রী নিয়ে এই জ্যামে আটকে থাকলে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হয় না।

 

স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান বলেন, রাস্তা দিয়ে হাঁটার কোনো উপায় নেই। রিকশা বা গাড়ি গর্ত পার হওয়ার সময় ছিটা পানি গায়ে পড়ে কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষের জন্য এই রাস্তা পার হওয়া এখন অনেকটা সাহসের কাজ।

 

ভুক্তভোগীরা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে যায়, যা পথচারীদের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়। এছাড়া যানজটের সুযোগ নিয়ে ছোট ছোট যানবাহন উল্টো পথে চলাচল করায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী যাত্রী ও রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সগুলোর জন্য এই সড়ক এখন বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কটি সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। দীর্ঘ দিন ধরে রাস্তার এই বেহাল দশা চলতে থাকলেও মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

জনদুর্ভোগ কমাতে এবং মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী যাত্রী ও স্থানীয়রা।

 

 

এলেন বিশ্বাস

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!