• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
প্রযুক্তির অগ্রগতির চেয়ে সেবার মানোন্নয়ন জরুরি: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী হাবিবি নামে রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি গড়লেন আবদুল আল-সাইয়েদ ভারত মহাসাগরে বাড়ছে চীনের আধিপত্য, নৌবহরে ৪০০-এর বেশি জাহাজ ব্রাজিল-উরুগুয়ের পাওনা দিতে পারছে না ভারত রেডি হও জামায়াত, তোমাদের পাকিস্তান পাঠানো হবে: পাপিয়া সাফ খেলতে সোমবার ঢাকায় আসছেন হামজা-ফারহান শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিতে রাষ্ট্রের আন্তরিকতা জরুরি ঢাকার দুই সিটির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নতুন প্রজন্মকে ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল: শাবি উপাচার্য সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় সাত বাংলাদেশির মৃত্যুতে জামায়াতের শোক

প্রযুক্তির অগ্রগতির চেয়ে সেবার মানোন্নয়ন জরুরি: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

শুধু সেবা অনলাইনে নেওয়াই পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল রূপান্তর নয়, নাগরিকের জন্য সেবা কতটা সহজ, দ্রুত, স্বচ্ছ ও সহজলভ্য হয়েছে, তার ভিত্তিতেই ডিজিটাল রূপান্তরের সাফল্য মূল্যায়ন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।শুক্রবার আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত ‘ইউএন গভর্ন্যান্স ইনোভেশন সামিট: অ্যাডভান্সিং ফিউচার-রেডি ইনস্টিটিউশন্স’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের অষ্টম অধিবেশনে ‘চ্যালেঞ্জিং কনভেনশনাল অ্যাপ্রোচেস টু গভর্ন্যান্স ইনোভেশন অ্যান্ড অ্যান্টিসিপেটরি গভর্ন্যান্স’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, শুধু প্রযুক্তি দিয়ে সরকারি প্রশাসনের পরিবর্তন সম্ভব নয়। সংযোগ ডিজিটাল রূপান্তরের ভিত্তি হলেও প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতিই সেই সংযোগকে জনকল্যাণে রূপ দেয়। নতুন প্রযুক্তি চালুর আগে সমস্যাটি বুঝতে হবে, বিদ্যমান প্রশাসনিক প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে অপ্রয়োজনীয় ধাপ কমাতে হবে, প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব স্পষ্ট করতে হবে এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে।আলোচনায় ফকির মাহবুব আনাম তিনটি সক্ষমতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এগুলো হলো সক্ষম প্রতিষ্ঠান, দক্ষ জনবল ও জনগণের আস্থা।তিনি বলেন, সক্ষম প্রতিষ্ঠানের জন্য স্পষ্ট জবাবদিহি, আন্তঃসংযোগযোগ্য তথ্যব্যবস্থা ও কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন। পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি করতে হবে জনবলের মধ্যে। জনগণের আস্থা অর্জনে শক্তিশালী তথ্য ব্যবস্থাপনা, সাইবার নিরাপত্তা, গোপনীয়তা সুরক্ষা এবং সহজলভ্য অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।মন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তি নাগরিককে সরকারি ব্যবস্থার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে বাধ্য করবে না, বরং সরকারি ব্যবস্থাই নাগরিকের সঙ্গে খাপ খাওয়াবে।’ তিনি বলেন, প্রযুক্তি নিজেই প্রাতিষ্ঠানিক বাধা চিহ্নিত করে সংস্কার ত্বরান্বিত করতে পারে। তাই বাংলাদেশ সংস্কার ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে একসঙ্গে এগিয়ে নিচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এআই, অটোমেশন ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের প্রশাসনকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে পারে।’ সরকার এ লক্ষ্যেই কাজ করছে।আলোচনা শেষে তিনি বলেন, কাগজভিত্তিক পদ্ধতিকে শুধু অনলাইনে স্থানান্তর করার মানসিকতা থেকে সরে এসে নাগরিকের চাহিদা অনুযায়ী পুরো সেবা-প্রক্রিয়া নতুন করে সাজানো হচ্ছে। এতে অপ্রয়োজনীয় ধাপ কমছে এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে সরকার আরও সাড়াদানকারী, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক হয়ে উঠছে।অধিবেশনে বাংলাদেশের মন্ত্রী ছাড়াও লেসোথোর মন্ত্রী মোয়েকেতসি মোৎসোয়ানে, মৌরিতানিয়ার ব্রাহিম বুলখেইর ও মেক্সিকোর ক্যারোলিনা প্লাটা লোপেজ অংশ নেন। আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টের অধীন পাবলিক সার্ভিস ও সামাজিক উদ্ভাবনবিষয়ক রাষ্ট্রীয় সংস্থার উপ-চেয়ারম্যান জেহুন সালমানভ অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন।সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা ভবিষ্যৎ উপযোগী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, প্রশাসনিক উদ্ভাবন এবং জনসেবায় প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিয়ে মতবিনিময় করেন।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!