• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
যেখানে সারা বছর ৬০০ টাকায় বাটার জুতা কেনা যায়, বছরে বিক্রি ১ লাখ জোড়া জাতিসংঘের মহাসচিব পদে একজন নারীর প্রার্থিতা এবং একটি পুরোনো পরীক্ষা জেলহত্যা দিবস আজ বৃহত্তর জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান নেতানিয়াহুর, আজ বৈঠকে বসছেন বিরোধীরা আয়–উপার্জনে বরকত পেতে নবীজির শেখানো ৫ আমল ক্ষমতাসীনেরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে জেতে না, তবে আমরা জোর চেষ্টা চালাচ্ছি: ট্রাম্প জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারী নেই, টিআইবির এ তথ্য অসত্য: মিয়া গোলাম পরওয়ার মধ্যবর্তী নির্বাচন : হেরে গেলে বাকি দুবছর কীভাবে সামাল দেবেন ট্রাম্প দলীয় নেতার সমর্থন হারানোর দিনই আল–সাইয়েদের তহবিলে রেকর্ড অর্থ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে প্রাক্তন ছাত্রকে মারধর করে পুলিশে দিল ছাত্রদল

জেলহত্যা দিবস আজ

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬

আজ ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি শোকাবহ দিন হয়ে আছে। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় সেদিন রাতের অন্ধকারে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

ওই নির্মম ঘটনার আড়াই মাস আগে একই বছরের ১৫ আগস্ট সপরিবার হত্যা করা হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রধান নেতা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। সেই হত্যাকাণ্ডের পর বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ষড়যন্ত্র, ক্ষমতার পাল্টাপাল্টি দখলের ধারাবাহিকতায় রাতের অন্ধকারে কারাগারে বন্দী অবস্থায় আজ থেকে ৫১ বছর আগে হত্যা করা হয় জাতীয় এই চার নেতাকে।

.

জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনায় ১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় হত্যা মামলা করেছিলেন। মামলাটি ‘জেলহত্যা মামলা’ নামে পরিচিতি পায়। ২১ বছর এ মামলার তদন্ত থেমে ছিল। ১৯৯৬ সালের জুন মাসে আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ক্ষমতায় ফেরার পর মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। হত্যাকাণ্ডের ২৯ বছর পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন।

.

এই মামলায় আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা আটজন এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তিনজন। সাজাপ্রাপ্ত এই ১১ আসামির মধ্যে ১০ জন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। শুধু একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। তবে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। তাঁকে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলাতেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। দেশে ফেরার পর ২০২০ সালের এপ্রিলে তিনি ধরা পড়েন। ওই মাসেই তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!