
যিনি পদ্মা, মেঘনা একপলকে পাড়ি দিতে চান, আবার বলেন, প্রেম তো চরের জমি নয়, কিন্তু নিজেই সারা জীবন প্রেমের জমিতে চাষ করে গেছেন, তিনি ‘চিরসবুজ’ সুদর্শন গায়ক কুমার বিশ্বজিৎ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কবির বকুল।
.
আপনি যাকে পুতুলের মতো সাজিয়ে হৃদয়ের কোটরে রাখতে চাইলেন, সে এখনো কোটরে আছে তো? নাকি বের হয়ে বলছে ‘আমি পুতুল না, মানুষ!’
আছে, আছে! কোটরেই আছে। বের হইতে চায়, আমি বলি ‘ভাড়া দাও’! কোটরের ভাড়া এখন অনেক!
‘যেখানে সীমান্ত তোমার, সেখানে বসন্ত আমার…’, সীমান্তে বসন্ত! কেমনে কী?
ওইটা মনের সীমান্ত! পাসপোর্ট–ভিসা লাগে না। ভালোবাসার সীমান্তে সব সময় বসন্ত। বিজিবি আটকাবে না!
‘চন্দনা গো, রাগ কোরো না…’, এই চন্দনা কে?
চন্দনা হলো আমার গানের নায়িকা। ৪০ বছর ধরে খুঁজছ? পাবে না। কারণ, চন্দনা এখন নাতি-নাতনি নিয়ে ব্যস্ত!
‘ও ডাক্তার, আপনি যখন করবেন আমার ওপেন হার্ট সার্জারি…’, সার্জারি করে ডাক্তার সেই রূপসীকে পেয়েছিলেন, নাকি অপারেশন সাকসেসফুল হয়নি?
অপারেশনের পর ডাক্তার বললেন, ‘আপনার রোগ প্রেম না, গ্যাস্ট্রিক! রোজ রোজ তৈলাক্ত খাবার খান, তাই বুক জ্বলে!’ আমি তখন গাইলাম, ‘অন্তর জ্বলে রে জ্বলে, তখন আরও বেশি বেশি জ্বলে।’
.
‘যারে ঘর দিলা, সংসার দিলা রে, তারে বৈরাগী মন কেন দিলা রে’, সংসার ভালো লাগে না নাকি হোম মিনিস্টার (বউ) বকা দেয়? নাকি, গ্যাস বিল, কারেন্ট বিলের জ্বালায় বৈরাগী হতে ইচ্ছা করে?
এটা আমার কমপ্লেইন না, এটা পৃথিবীর সব বিবাহিত পুরুষের কমপ্লেইন! ঘর আছে, সংসার আছে, বাজার করতে হয়, বাচ্চার স্কুলের বেতন দিতে হয়…তখন মনে হয়, বৈরাগী হয়ে হিমালয়ে চলে যাই! কিন্তু যখনই বৈরাগী হতে যাব, তখনই মনে পড়ে হিমালয়েও তো ঠান্ডা, কম্বল লাগবে, কম্বলের টাকা কই পাব?
‘তুমি রোজ বিকেলে আমার বাগানে ফুল নিতে আসতে…’, এখনকার ফ্ল্যাট–সংস্কৃতির যুগে থাকে সর্বোচ্চ একটা ছোট বারান্দা। যদি কেউ বিকেলে বারান্দায় মানিপ্ল্যান্টের পাতা বা মরিচগাছ থেকে মরিচ চুরি করতে আসে, তাকে নিয়ে কি এমন রোমান্টিক গান লেখা সম্ভব?
তখন গানের লিরিকটা একটু বদলে যাবে! ‘তুমি রোজ বিকেলে আমার বারান্দায় টবের মরিচ নিতে আসতে, জানি না তুমি মরিচ না, ঝাল খেতে বেশি ভালোবাসতে!’
‘আমি সাম্পানে বান্ধিব ঘর, তুমি সাথি হলে…’, এখন কী অবস্থা?
সাম্পান আছে, কিন্তু ঘর নাই। ঘর এখন পদ্মা সেতুর নিচে চলে গেছে! এখন ফ্ল্যাটে থাকি, সাম্পানটা স্মৃতি হিসেবে রেখেছি।
.
আপনার ডাক নাম ‘তুলতুল’। ছোটবেলায় আপনার মা আপনার ওপর রাগ করলে কি ‘তুলতুল’ই ডাকত, নাকি সেটা হয়ে যেত ‘টুলটুল’। আর আপনার কাছে মনে হতো কোনো মিউজিক্যাল ‘টুলস’ বা বাদ্যযন্ত্র।
রেগে গিয়ে কেউ ‘টুলটুল’ ডাকলে কোনো বাদ্যযন্ত্রের কথা মনে আসত না, মনে হতো আমি নিজেই একটা টুল (Tool), যা দিয়ে আজকে মার খাওয়ার পিঁড়ি তৈরি হবে! তবে নামটা বেশ আদুরে, মিষ্টি। নামটা শুনলে কারও মনেই বেশিক্ষণ রাগ থাকে না।
আপনি তো এখন কানাডায় থাকেন। ঢাকার যানজট আর গাড়ির হর্ন কি খুব মিস করেন?
সত্যি বলতে, কানাডার নীরবতার মধ্যে যখন খুব একা লাগে, মনে হয় কোনো বিস্তীর্ণ সুনসান বিরান ভূমিতে চলে যাই। চিৎকার করে কাঁদি। এই সময় মাকে খুব মিস করি, আর তখন একা একা নিজের গানটাই গুনগুন করি, ‘মায়ের মমতা ছাড়া কে থাকে ভালো’।
[এই সাক্ষাৎকার কাল্পনিক নয়!]
.টেসলা গাড়ি আমাকে দেখে মনে মনে হয়তো বলে, ‘পরের জন্মে মাল্টা হব!’
— মি. মাল্টা.আপনি কত বড় মিথ্যাবাদী?.উগান্ডার হুইপের ফেসবুক প্রোফাইল.বেরেক কাম করে না!.সিনেপ্লেক্সে একদিন .সড়কপথে বিমানের ছোঁয়া .আরও যা যা ফাঁস হতে পারে.Breaking Good.বন্ধু ফার্মেসি.সবজান্তা সমীপেষু.চাঁদ দখল.আমি ভুল করিনি.ডাব সমাচার.Lieসেন্স.অজুহাতের কামব্যাক.চাঁদা নিয়ে বিখ্যাত কবি–সাহিত্যিকেরা যা লিখতেন