• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline

শেখ হাসিনা কি শ্বশুরবাড়ি বেড়াইতে আসবেন যে তাকে পাসপোর্ট দেব: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

Reporter Name / ২০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পলাতক সন্ত্রাসী, প্রত্যাবর্তন নয়। বন্দী বিনিময় চুক্তির আওতায় তাঁকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর।

ঢাকা সফরে আসা চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদায় জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ড নিয়ে দিল্লিতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস দেওয়ার প্রসঙ্গকে ‘হাস্যকর’ বলে বর্ণনা করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

.

ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁর হস্তান্তর চাওয়ার কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে কি শ্বশুরবাড়ি রংপুরে বেড়াইতে আসবে যে তাঁরে পাসপোর্ট দেব, আর পাসপোর্ট দিয়ে আসবে? শেখ হাসিনা হচ্ছেন পলাতক সন্ত্রাসী। স্বৈরাচার, একটা পালিয়ে যাওয়া টেররিস্ট; এখানে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে, তাঁকে কি নরমাল কমার্শিয়াল ট্রাভেলার হিসেবে দেখব যে পাসপোর্ট দেব? আসেন, আসিয়া আপনার শ্বশুরবাড়ি রংপুর বেড়াইয়া যান। আমাদের অ্যাকটিভ এক্সট্রাডিশন ট্রিটি আছে টেররিস্টদের ধরার, ক্রিমিনালকে ধরার। সন্ত্রাসী আর অপরাধীকে ধরতে পাসপোর্ট লাগে না, এটা হস্তান্তর হয়।’

ডিসেম্বরে ফেরার ঘোষণা দেওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাসের জন্য আবেদন করেছেন কি না, এই প্রশ্ন করা হয়েছিল হুমায়ুন কবিরকে।

জবাবে তিনি বলেন, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠক থেকে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন তিনি। এ কারণে বিষয়টি এখনো তাঁর জানা নেই। পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাসের বিষয়টাই ‘হাস্যকর লাগল’ বলে মন্তব্য করেন হুমায়ুন কবির।

.শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা কতটা

বাস্তব, কতটা প্রস্তুত নেতা-কর্মীরা.

২০২৪ সালের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত বছরের ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া তাঁদের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলার বিচার চলমান।

জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই আন্দোলনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তবে নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনা হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। মৃত্যুর সংখ্যা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর আইনজীবীরা।

ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ায় দিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। দুই দেশের মধ্যকার প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁকে ফেরত দেওয়ার কথা বারবার বলে আসছে ঢাকা। ঢাকার তরফ থেকে এ নিয়ে কয়েক দফা চিঠি দেওয়া হলেও দিল্লির কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। এ ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া পর্যালোচনার কথা বলে আসছে ভারত।

.হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৫ আসামির মধ্যে ১১ জনই পলাতক.

শেখ হাসিনা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে গত জুলাই মাসে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, আগামী ডিসেম্বর নাগাদ তাঁর দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘তাঁর (শেখ হাসিনা) প্রত্যর্পণের বিষয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আর আইনি প্রক্রিয়াগুলো বিদ্যমান। সুতরাং এখানে পাসপোর্ট দেওয়ার বা হস্তান্তরের প্রয়োজন নাই। …বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে কার্যকর থাকা প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের প্রত্যর্পণের সুযোগ রয়েছে।’

.জুলাই হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিলেন ট্রাইব্যুনাল

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!