• রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
অদৃশ্য সিন্ডিকেটের দখলে উত্তরা বিআরটিএ: ভোগান্তির শেষ নেই সেবাগ্রহীতাদের ৩ স্ক্যানারই অচল: ঢাকা বিমানবন্দরে কার্গো বিপর্যয়ের মুখে তৈরি পোশাক রপ্তানি, বাড়ছে ঘুষের বাণিজ্য উত্তরায় চীনা নাগরিকদের সন্দেহজনক ভ্লগিং: আড়ালে কী? শাহজালালে নিয়ম মানছে না কেউ: ভিড় নিয়ন্ত্রণে অসহায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের অব্যবস্থাপনা: যাত্রী দুর্ভোগ নিরসনে জরুরি সংস্কার দাবি তুরাগে ১ কেজি গাঁজাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক উত্তরায় অবরোধে স্থবির টঙ্গী-বিমানবন্দর সড়ক: কয়েক কিলোমিটার জুড়ে গাড়ির সারি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে উত্তরায় শিক্ষার্থীদের ব্যাপক বিক্ষোভ ​ উত্তরা আব্দুল্লাহপুর মহাসড়কের বেহাল দশা ড্রেনেজ অব্যবস্থাপনায় জলাবদ্ধতা: দায় এড়াতে বাসিন্দাদের ওপর দোষারোপ ডিএনসিসি প্রশাসকের

ট্রাফিক পরিদর্শকের বিলাসবহুল বাড়ি নিয়ে আলোড়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬৯৬ Time View
Update : সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫

ঝিনাইদহে কাজী হাসানুজ্জামান নামের এক ট্রাফিক পরিদর্শকের বিলাসবহুল বাড়ি নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। কাজী হাসানুজ্জামান বর্তমানে নড়াইল জেলা পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক (প্রশাসন) পদে কর্মরত রয়েছেন।

জানা গেছে, ট্রাফিক পরিদর্শক কাজী হাসানুজ্জামান কয়েক দফায় ঝিনাইদহ জেলা পুলিশে কর্মরত ছিলেন। সে সময়ে তিনি শহরের আল-হেরা মোড় এলাকায় প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের সাড়ে ৭ শতক জমি কিনেন। পরে ওই জমির ওপর আধুনিক মানের ৫ তলা ভবন নির্মাণ করেন, যেখানে অন্তত ১৪টি ফ্ল্যাট রয়েছে। যাঁর আনুমানিক বাজার মূল্য অন্তত সাড়ে ৪ কোটি টাকা।

সূত্র বলছে, আওয়ামী লীগ শাসনামলে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী ও সাবেক এমপি সাইফুজ্জামান শেখরের সঙ্গে ট্রাফিক পরিদর্শক হাসানুজ্জামানের গভীর সম্পর্ক ছিল। সে সম্পর্কের জের ধরে বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি। অনিয়ম-দুর্নীতি করে অবৈধ পন্থায় কোটি কোটি টাকা কামায় করেন হাসানুজ্জামান। জ্ঞাত আয় বর্হিভূত এসব টাকা দিয়ে ঝিনাইদহ ছাড়াও তাঁর নিজ জেলা মাগুরা, যশোর ও নড়াইলে নামে-বেনামে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। এমনকি আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিধি বর্হিভূতভাবে পদায়ন ও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিয়েছেন তিনি।

 

জেলা সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি বীরমুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত হোসনে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ শাসনামলে ধরাকে সড়া মনে করে যে যার মতো করে আখের গুছিয়ে নিয়েছে। বিশেষ করে এক শ্রেণীর পুলিশ কর্মকর্তারা এ কাজগুলো বেশি করেছে। আমার মনে হয় ট্রাফিক পরিদর্শক কাজী হাসানুজ্জামানও তাদেরই একজন। তাই সংশ্লিষ্টদের উচিত ওই পুলিশ কর্মকর্তার জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদের দিকে নজর দেওয়া।’

অভিযোগের বিষয়ে নড়াইল জেলা পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক কাজী হাসানুজ্জামান বলেন, ‘আমি আমার বৈধ আয়ে হামদহ আল-হেরা পাড়ায় জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করেছি। সেখানে বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাট বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।’ তবে সরকারি চাকরির পাশাপাশি ফ্ল্যাটের ব্যবসা করা যায় কি না, এমন প্রশ্ন করলে তিনি আর কোনো জবাব দেননি।

এ ব্যাপারে নড়াইলের পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি

 

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!