• সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:০৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তুরাগ দক্ষিনের যুব বিভাগের “প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫” অনুষ্ঠিত আমাদের উত্তরা ফাউন্ডেশন এর নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি আলী হোসেন, সম্পাদক এলেন বিশ্বাস নতুন টেন্ডার প্রক্রিয়া জনসাধারণের জন্য হুমকির মুখে – দাবী ঠিকাদারদের জামায়াত-শিবিরের কারণে গণঅধিকার-এনসিপি ক্ষতিগ্রস্ত: রাশেদ খান পাকিস্তানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুঁশিয়ারি ভারতের সেনাপ্রধানের সমঝোতা হলে ১০০ আসন ছেড়ে দিতে পারে জামায়াত’ টাঙ্গাইলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবি, থানায় জিডি বিএনপি শিগগিরই ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দেবে: সালাহউদ্দিন এনসিপি নেতা মাহিন তালুকদারের ছবি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার উত্তরায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে “আমাদের উত্তরা ফাউন্ডেশন”

ট্রাফিক পরিদর্শকের বিলাসবহুল বাড়ি নিয়ে আলোড়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৬১ Time View
Update : সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫

ঝিনাইদহে কাজী হাসানুজ্জামান নামের এক ট্রাফিক পরিদর্শকের বিলাসবহুল বাড়ি নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। কাজী হাসানুজ্জামান বর্তমানে নড়াইল জেলা পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক (প্রশাসন) পদে কর্মরত রয়েছেন।

জানা গেছে, ট্রাফিক পরিদর্শক কাজী হাসানুজ্জামান কয়েক দফায় ঝিনাইদহ জেলা পুলিশে কর্মরত ছিলেন। সে সময়ে তিনি শহরের আল-হেরা মোড় এলাকায় প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের সাড়ে ৭ শতক জমি কিনেন। পরে ওই জমির ওপর আধুনিক মানের ৫ তলা ভবন নির্মাণ করেন, যেখানে অন্তত ১৪টি ফ্ল্যাট রয়েছে। যাঁর আনুমানিক বাজার মূল্য অন্তত সাড়ে ৪ কোটি টাকা।

সূত্র বলছে, আওয়ামী লীগ শাসনামলে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী ও সাবেক এমপি সাইফুজ্জামান শেখরের সঙ্গে ট্রাফিক পরিদর্শক হাসানুজ্জামানের গভীর সম্পর্ক ছিল। সে সম্পর্কের জের ধরে বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি। অনিয়ম-দুর্নীতি করে অবৈধ পন্থায় কোটি কোটি টাকা কামায় করেন হাসানুজ্জামান। জ্ঞাত আয় বর্হিভূত এসব টাকা দিয়ে ঝিনাইদহ ছাড়াও তাঁর নিজ জেলা মাগুরা, যশোর ও নড়াইলে নামে-বেনামে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। এমনকি আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিধি বর্হিভূতভাবে পদায়ন ও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিয়েছেন তিনি।

 

জেলা সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি বীরমুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত হোসনে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ শাসনামলে ধরাকে সড়া মনে করে যে যার মতো করে আখের গুছিয়ে নিয়েছে। বিশেষ করে এক শ্রেণীর পুলিশ কর্মকর্তারা এ কাজগুলো বেশি করেছে। আমার মনে হয় ট্রাফিক পরিদর্শক কাজী হাসানুজ্জামানও তাদেরই একজন। তাই সংশ্লিষ্টদের উচিত ওই পুলিশ কর্মকর্তার জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদের দিকে নজর দেওয়া।’

অভিযোগের বিষয়ে নড়াইল জেলা পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক কাজী হাসানুজ্জামান বলেন, ‘আমি আমার বৈধ আয়ে হামদহ আল-হেরা পাড়ায় জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করেছি। সেখানে বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাট বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।’ তবে সরকারি চাকরির পাশাপাশি ফ্ল্যাটের ব্যবসা করা যায় কি না, এমন প্রশ্ন করলে তিনি আর কোনো জবাব দেননি।

এ ব্যাপারে নড়াইলের পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি

 

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!