• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ পাচার প্রতিরোধ কর্মকর্তা ও স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব গম আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রতিষ্ঠানের দর যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত সেপ্টেম্বরে প্রায় এক লাখ ভারতীয় হেলমেট আমদানি, হঠাৎ আমদানি বাড়ল কেন আরব দলগুলোর চমক, তৈরি হতে পারে নেতানিয়াহুর বিদায়ের পথ জিনস প্যান্ট ও অন্তর্বাসে পাচারের চেষ্টা, শাহজালালে মিলল ২৪ কোটি টাকার সোনা যশোরে ভেজালমুক্ত খেজুর গুড় উৎপাদনে গাছিদের শপথ র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ওঠার দিনে ইয়ানসেনের মাইলফলক ময়মনসিংহে নিহত সেলুনমালিকের গলা-বুক-পিঠে ১০ ছুরিকাঘাত, একজন গ্রেপ্তার ‘আকাশমণি’ থেকে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের সূত্রপাত কি না, খতিয়ে দেখছে কমিটি বাংলাদেশ-জাপান ছয় সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯ কোটি ৫৫ লাখ ডলার ঋণের প্রতিশ্রুতি

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে চীনে পাচারের চেষ্টা, এসআরবি-১ এর অভিযানে ১২ নারী উদ্ধার

আলী হোসেন (শ্যামল) / ২২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

চীনের উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এবং নানা নির্যাতন চালিয়ে বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা ১২ জন নারী ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১। ঢাকার উত্তরা পশ্চিম ও ভাটারা থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের উদ্ধার করা হয়।

এসআরবি-১ সূত্র জানায়, নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারের একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৬ অক্টোবর বিকেলে ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানাধীন যমযম টাওয়ারসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মেমাচি মারমা (১৫) ও মাংশানু মগনি (১৮) নামের দুই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এবং চট্টগ্রাম জেলার বায়েজিদ বোস্তামী থানার একটি সাধারণ ডায়েরির (নং-১২৩৮, তারিখ: ১৮/১০/২০২৬) সূত্র ধরে গত ২৬ অক্টোবর রাত থেকে ২৭ অক্টোবর ভোর পর্যন্ত ডিএমপির ভাটারা থানাধীন ব্লক-এল, রোড-৫৬, বাসা-২৯৪৫-এর সপ্তম তলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে আরও ১০ জন নারীকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া অন্য ১০ জন নারী ভিকটিম হলেন—রেখা চাকমা (২৮), ক্যানচি চাকমা (২২), বিরুপতি চাকমা (২৮), পূণ্যরেখা চাকমা (২৮), চাইছাইও মার্মা (২২), কৃষ্টিনা রোয়ালময় বৈল্টুং (১৯), পুষ্পিতা চাকমা (২১), পিংকি চাকমা (১৫), ববিতা চাকমা (২৭) এবং আদর্শী চাকমা (২১)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধারকৃত ভিকটিমরা জানিয়েছেন, চীনে নিয়ে গিয়ে উচ্চ বেতনে চাকরি ও নানা সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে তাঁদের ঢাকায় আনা হয়েছিল। পরবর্তীতে কোনো বৈধ ভ্রমণ কাগজপত্র ও পাসপোর্ট ছাড়াই অসৎ উদ্দেশ্যে বিদেশে পাচারের জন্য তাঁদের জোরপূর্বক একটি বাসায় আটকে রাখা হয়। এ সময় তাঁদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয় এবং বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়ানোর জন্য প্রলোভন ও চাপ দেওয়া হয়।

প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার করা সব ভিকটিমকে তাঁদের পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভিকটিমদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মানব পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে এসআরবি-১।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!