• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
হাওয়ায় হাওয়ায় হেমন্ত খুলছে দোপাট্টা ডেটা সেন্টারে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করল গ্রামীণফোন রাতে বাড়ি ফেরার পথে হামলা, সকালে কাশবনে মেয়ের লাশ, দুপুরে বাবার মৃত্যু ‘এক সপ্তাহ ধরে বেঁচাবিক্রি নেই, কিস্তির টাকা কেমনে দেব’ জামায়াত থেকে আলাদা পরিচয় ধরে রাখতে চায় এনসিপি, লংমার্চে উপস্থিতি নিয়ে ভিন্ন চিন্তা দলটির ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতায় ফুটে উঠেছে অকৃত্রিম দেশপ্রেম পাকিস্তান সরকার ইমরান খানকে হত্যার চেষ্টা করছে: ছেলে সুলাইমানের অভিযোগ এবার এনসিটিবির সদস্যসহ চার কর্মকর্তাকে বদলি মানিক পশারীর দাফনে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ২০ বছর পর সার্জেন্ট পদে ৮৪ ও এসআই পদে ১৬২ জন যোগ দিচ্ছেন

তিন বিজ্ঞানীর ভ্রমণ

Reporter Name / ৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

তিন বিজ্ঞানীর ভ্রমণ

বিজ্ঞানী হাইজেনবার্গ, শ্রোডিঞ্জার আর ওহম একটি গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর অপরাধে পুলিশ তাঁদের থামাল।

হাইজেনবার্গ জানালার কাচ নামাতেই পুলিশ অফিসার জিজ্ঞেস করলেন, ‘স্যার, আপনার কি কোনো ধারণা আছে, আপনি কত দ্রুত গাড়ি চালাচ্ছিলেন?’

হাইজেনবার্গ উত্তর দিলেন, ‘না, তবে আমি ঠিক জানি আমরা এখন কোথায় আছি।’

অফিসার তাঁকে বললেন, ‘আপনি গতিসীমার চেয়ে ১৫ মাইল বেশি বেগে গাড়ি চালাচ্ছিলেন!’ হাইজেনবার্গ তখন হতাশ হয়ে বললেন, ‘চমৎকার! এখন তো আমরা হারিয়ে গেলাম!’

পুলিশ অফিসারের কাছে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলো। তিনি গাড়িটি তল্লাশি করার সিদ্ধান্ত নিলেন। যখন তিনি গাড়ির ডিকি (ট্রাঙ্ক) খুললেন, সেখানে একটি মরা বিড়াল দেখতে পেলেন। তিনি চিৎকার করে বললেন, ‘আপনারা কি জানতেন এখানে একটা মরা বিড়াল পড়ে আছে?’ শ্রোডিঞ্জার উত্তর দিলেন, ‘এখন জানলাম।’

পুলিশ অফিসার বিরক্ত হয়ে তাঁদের দুজনকে গ্রেপ্তার করার সিদ্ধান্ত নিলেন। সেই সঙ্গে বিজ্ঞানী ওহমকেও ধরলেন; কারণ, তিনি রেজিস্ট্যান্স বা বাধা দিচ্ছিলেন!

ব্যাখ্যা

১. হাইজেনবার্গের ‘অনিশ্চয়তা নীতি’ অনুযায়ী, কোনো কণার অবস্থান ও বেগ একসঙ্গে নিখুঁতভাবে জানা অসম্ভব। তাই তিনি অবস্থান জানলেও বেগ জানতেন না। আবার বেগ জানার সঙ্গে সঙ্গে তিনি অবস্থান হারিয়ে ফেলেন।

২. শ্রোডিঙ্গারের বিখ্যাত ‘বিড়ালের প্যারাডক্স’ অনুযায়ী, কোনো কিছু পর্যবেক্ষণ না করা পর্যন্ত তা একই সঙ্গে মৃত ও জীবিত দুই অবস্থাতেই থাকতে পারে।

৩. ওহমের সূত্রে ‘রেজিস্ট্যান্স’ বা রোধ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এখানে পুলিশি কাজে বাধা দেওয়া এবং বৈদ্যুতিক রোধ (রেজিস্ট্যান্স) নিয়ে পান করা হয়েছে।

.ছোট্ট কৌতুক, বড় প্রশ্ন.

পকেটমার ও বাসযাত্রী

এক পকেটমার বাসের মধ্যে এক ভদ্রলোকের পকেট মেরে পালিয়ে যাচ্ছিল। চলে যাওয়ার আগেই ভদ্রলোকের খেয়াল হলো, লোকটা তাঁর পকেট মারতে এসেছিল। উনি তাই পকেটমার লোকটাকে এক ধমক দিয়ে বললেন, ‘এই তোমার লজ্জা হয় না? ভেবেছ আমরা চোখ বুজে বাসের মধ্যে বসে আছি?’

পকেটমার লোকটা পালটা রাগ দেখিয়ে বলল, ‘লজ্জা আমার নয়, আপনার হওয়া উচিত। পকেটে পয়সা না নিয়ে বাসে উঠে পড়েছেন।’

.হোজ্জার কৌতুক.হাস্যরসের তিন কৌতুক.ঢাকার কৌতুক লন্ডনের কৌতুক

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!