• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সত্যি কি ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আবারও হামলা চালাবেন ট্রাম্প ইসলামবিদ্বেষের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান আনোয়ার ইব্রাহিমের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে লাখো মানুষের বিক্ষোভ সানার কাছে সৌদি জোটের বিমান হামলায় নিহত ৩৩ ওমান উপসাগরে আগুনে জ্বলতে থাকা কার্গো জাহাজ থেকে ২২ জনকে উদ্ধার করল আমিরাত ভারতের রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ এখন বিরোধী দলের হাতে কুয়াকাটায় বেড়াতে এসে প্রাণ গেল নারী চিকিৎসকের, আহত ১ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে লুট হওয়া ৩৭ রাউন্ড গুলিসহ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার নেতানিয়াহুর বিদায়, ইসরাইলের নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেন আইজেনকট

ট্রাম্পের ভরাডুবিতে বদলে গেছে ২০২৮ সালের নির্বাচনের হিসাব–নিকাশ

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গণনা এখনো শেষ হয়নি। তবে এরই মধ্যে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়ে গেছে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে হিসাব-নিকাশ। কংগ্রেসে বড় ধরনের সাফল্য পাওয়ায় ডেমোক্র্যাটরা আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রস্তুতিতে বাড়তি গতি ও আত্মবিশ্বাস পাবে। অন্যদিকে নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বিপর্যয় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্তরসূরি হিসেবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের অবস্থান নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।তবে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভালো ফল করলেই যে দুই বছর পর হোয়াইট হাউসে জয় নিশ্চিত, এমন নয়। এর আগেও এর ব্যতিক্রম দেখা গেছে। ২০১০ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা বড় সাফল্য পেয়েছিলেন। কিন্তু ২০১২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বারাক ওবামা দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হন।এখনো কোনো প্রার্থী আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেননি। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীরা পর্দার আড়ালে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ নিয়ে দেওয়া বক্তব্যকেও অনেকে ২০২৮ সালের নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার পথ তৈরির চেষ্টা হিসেবে দেখছেন।মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ঐতিহাসিক সাফল্য আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের রাজনীতিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিবিসির বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এমন চারটি দিক।১. মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ী নেতাদের সামনে বাড়তি সুযোগ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে অংশ নেওয়া বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনীতিককে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে তাদের কেউ কেউ নিজেদের অবস্থান আরো শক্ত করেছেন।জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফ বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। অঙ্গরাজ্যটি রাজনৈতিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সেখানে জয় পেয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অসফ আগে প্রেসিডেন্ট পদে লড়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছিলেন। তবে এবারের নির্বাচনে তার সফল প্রচার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি মুহূর্ত তাকে জাতীয় পর্যায়ে আরো পরিচিত করেছে।২০২৮ সালের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের সম্ভাব্য আরেক প্রার্থী পেনসিলভানিয়ার গভর্নর জশ শাপিরো। তিনি রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বীকে সহজেই পরাজিত করেছেন। শাপিরো এখনো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ার বিষয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, পেনসিলভানিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যে তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা জাতীয় পর্যায়েও তাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ করে দিতে পারে।ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের গভর্নর জেবি প্রিটজকারও জয় পেয়েছেন। অঙ্গরাজ্যের রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা তার এবারের নির্বাচনি প্রচারকে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতির মহড়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন।ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে পুনর্নির্বাচনের জন্য প্রার্থী হতে পারেননি। তবে অঙ্গরাজ্যের ধনীদের ওপর কর আরোপের একটি প্রস্তাব নিয়ে তিনি সক্রিয় ছিলেন। এ বিষয়ে গণভোটের ফলাফল তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি প্রস্তাবটির বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়েছেন।রিপাবলিকান শিবিরেও ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য দুই প্রার্থীর নাম আলোচনায় রয়েছে। আরকানসাস অঙ্গরাজ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সিনেটর টম কটন ও গভর্নর সারা হাকাবি স্যান্ডার্স দুজনই নিজেদের পদ ধরে রাখতে পেরেছেন। স্যান্ডার্স ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ছিলেন। তবে রক্ষণশীল হিসেবে পরিচিত অঙ্গরাজ্যটিতে তাদের দুজনেরই জয়ের ব্যবধান আগের তুলনায় কমেছে। দুজনই মাত্র অর্ধেকের কিছু বেশি ভোট পেয়েছেন।২. চাপের মুখে জেডি ভ্যান্স ও ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠরানির্বাচনের পর বিভিন্ন জরিপের ফলাফল বলছে, ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের প্রতি ভোটারদের ক্ষোভ রিপাবলিকানদের বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ। এর ফলে বর্তমান প্রশাসনের নেতৃত্বে থাকা সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের জন্যও চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের কেস ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক কারেন বেকউইথ বলেছেন, এবারের নির্বাচনি প্রচারে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ভ্যান্স।নির্বাচনে পরাজয়ের দায় থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করছেন ভ্যান্স। একই সঙ্গে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের বিষয়টিও সামনে এনেছেন তিনি। ওই অভিযান রাজনৈতিকভাবে রিপাবলিকানদের জন্য বড় বিপর্যয় হয়ে উঠেছিল।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভ্যান্স লিখেছেন, ‘আমরা হেরেছি যুদ্ধের কারণে।’অন্যদিকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ ছাড়ার কথা ভাবছেন—এমন খবর অস্বীকার করেছেন মার্কো রুবিও।তবে ট্রাম্প প্রশাসনের বাইরে থাকা সম্ভাব্য রিপাবলিকান প্রার্থীরা এবারের ফলাফলে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারেন। তাদের কেউ কেউ ইতোমধ্যে দলের পরাজয়ের কারণ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন।সিনেটর টেড ক্রুজ এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া দীর্ঘ এক পোস্টে তিনি বলেছেন, রিপাবলিকান রাজনীতিকদের অনেকের আচরণ দেখে মনে হয়েছে, ভোটারদের অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে তারা যেন ‘চিন্তিতই নন’।তিনি লিখেছেন, ‘এখন পরিস্থিতি অন্ধকার। তবে ভোর হওয়ার ঠিক আগেই অন্ধকার সবচেয়ে গভীর হয়। সকাল আসছে।’ এরপর তিনি বলেন, এটাই তার আন্তরিক প্রার্থনা এবং জনগণের প্রতি তার অঙ্গীকার।ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিসও রিপাবলিকানদের পরাজয়ের সমালোচনা করেছেন। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের কাছে প্রাথমিক পর্যায়ে বড় ব্যবধানে হেরে তিনি নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছিলেন। এবারের নির্বাচনে ফ্লোরিডায় রিপাবলিকানদের জয়কে সামনে এনে তিনি বলেছেন, কীভাবে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব, তার উদাহরণ এই ফলাফল।৩. ডেমোক্র্যাটদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে মধ্যপন্থি ও বামপন্থিদের লড়াইমধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলকে নিজেদের সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মধ্যপন্থি ও বামপন্থি—দুই অংশই। ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কে প্রার্থী হতে পারেন, তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যেই শুরু হয়েছে হিসাব-নিকাশ।বারাক ওবামার সাবেক উপদেষ্টা জিম মেসিনা বিবিসিকে বলেছেন, ডেমোক্র্যাটদের অসংখ্য নেতা ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে নিজেদের অবস্থান তৈরি করছেন।মিশিগানে আল-সাইয়েদের জয় বামপন্থি ডেমোক্র্যাটদের জন্য বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটি অঙ্গরাজ্যে তার জয় বামপন্থি প্রার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। তার সমর্থকেরা মনে করছেন, এই সাফল্য ২০২৮ সালের নির্বাচনে বামপন্থি প্রার্থীদের অবস্থান আরো শক্ত করবে।প্রগ্রেসিভ চেঞ্জ ক্যাম্পেইন কমিটির সহপ্রতিষ্ঠাতা অ্যাডাম গ্রিন বলেন, নির্বাচনে জয়ী হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে প্রচলিত ধারণাগুলো এখন আর আগের মতো কার্যকর নয়। অর্থনৈতিক বিষয়ে জোর দেওয়া সাহসী জনতুষ্টিবাদী ও প্রচলিত রাজনীতির বাইরের প্রার্থীরাও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে জয়ী হতে পারেন, তা প্রমাণিত হয়েছে।গ্রিনের মতে, নিউইয়র্কের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজের মতো নেতাদের জন্য এখন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাথমিক বাছাইপর্বে অংশ নেওয়ার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তারা এখন বিশ্বাস করতে পারেন, তাদের পক্ষেও জয় পাওয়া সম্ভব।তবে মধ্যপন্থি ডেমোক্র্যাটরাও এবারের নির্বাচনে দেশজুড়ে সাফল্য পেয়েছেন। মধ্যপন্থি ও রক্ষণশীল ডেমোক্র্যাটদের সংগঠন ‘ব্লু ডগ ককাস’ কংগ্রেসে অন্তত ১৪টি আসন পেয়েছে। এর ফলে সংগঠনটির বর্তমান আকার প্রায় দ্বিগুণ হতে যাচ্ছে।এই সাফল্যের পর দলের মধ্যপন্থিরা মনে করছেন, বাস্তববাদী এবং রক্ষণশীলদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী প্রার্থীরা রিপাবলিকান ভোটারদেরও আকৃষ্ট করতে পারবেন।এবারের নির্বাচনে জীবনযাত্রার ব্যয় ও অর্থনৈতিক সংকটকে গুরুত্ব দেওয়া ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা ভালো করেছেন। ফলে ২০২৮ সালের নির্বাচনেও অর্থনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কৌশল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ওয়ার্কিং ফ্যামিলিজ পার্টির ফেডারেল অ্যাফেয়ার্সবিষয়ক পরিচালক আমিরাহ সিকুয়েরাহ বলেন, ২০২৮ সালে সফল প্রার্থীদের অর্থনৈতিক জনতুষ্টিবাদের পাশাপাশি নতুন কিছু বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। এসব বিষয়ের মধ্যে তথ্যকেন্দ্র বা ডেটা সেন্টার নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে।৪. হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থন পেতে নতুন করে চেষ্টা করতে হবে২০২৮ সালের নির্বাচনের আগে দুই দলকেই যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তিত রাজনৈতিক মানচিত্র এবং ভোটারদের সমর্থনের নতুন সমীকরণের মুখোমুখি হতে হবে। একসময় রিপাবলিকানদের নিশ্চিত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত অনেক এলাকাতেও এখন আর দলটির জয় নিশ্চিত নয়।টেক্সাসে অঙ্গরাজ্য পর্যায়ে রিপাবলিকানদের হাতে এখন মাত্র একটি পদ রয়েছে। ফলে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অঙ্গরাজ্যটির ৪০টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।ক্যালিফোর্নিয়ার সাবেক সিনেট প্রার্থী ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ক্রিস্টিনা পাসকুচ্চি বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। কোনো দলই এখন নিজেদের ঐতিহ্যগত শক্ত ঘাঁটিকে নিশ্চিত ধরে নিতে পারে না।বর্তমানে বৈশ্বিক যোগাযোগ ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অ্যাটলাস গ্লোবালের প্রধান নির্বাহী পাসকুচ্চির মতে, ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—দুই দলকেই দোদুল্যমান ভোটারদের সমর্থন আদায় করতে হবে। এসব ভোটারের সমর্থন কোনো দলের একচেটিয়া নয়।এবারের নির্বাচনে ট্রাম্পের শ্রমজীবী ও হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থনে ভাটা পড়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে এসব ভোটারের মধ্যে যে অগ্রগতি অর্জন করেছিলেন তিনি, মধ্যবর্তী নির্বাচনে তার অনেকটাই উল্টে গেছে।কনজারভেটিভ রাজনৈতিক ভাষ্যকার এবং একসময় টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএর মুখপাত্র হিসেবে কাজ করা ড্রিয়েনা সিক্সটো বলেন, ২০২৮ সালের নির্বাচনে হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থন ফিরে পেতে রিপাবলিকানদের প্রচারের ভাষা ও কৌশলে পরিবর্তন আনতে হবে।তিনি বলেন, ‘গতবার নির্বাচনি প্রচারে নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা এবং মানব পাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছিল।’সিক্সটোর মতে, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর হোয়াইট হাউসের প্রচারে অভিবাসীদের বহিষ্কারের বিষয়টি অতিরিক্ত গুরুত্ব পেয়েছে। আর এখানেই বিভাজন তৈরি হয়েছে।তার এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থন ধরে রাখা বা পুনরুদ্ধার করা রিপাবলিকানদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। একই সঙ্গে দোদুল্যমান ভোটারদের মনোভাব এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতিও ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এএম

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!