• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
১৩০ বছর পর ভ্যান গঘের আঁকা স্টারি নাইটের রহস্যের সমাধান ‘দাঁড়িপাল্লা’ নিয়ে বিতর্ক, জ্ঞানের পিরামিডে কোনো আইকন থাকছে না সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুলসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ইমামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ইমামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা: একটি সর্বজনীন উৎসব দুর্ঘটনায় পা হারানো সাকিবকে নগদ অর্থসহায়তা পটিয়া বন্ধুসভার দুর্ঘটনায় পা হারানো সাকিবকে নগদ অর্থসহায়তা পটিয়া বন্ধুসভার কালো আনারকলিতে বেবি বাম্প নিয়ে নজর কাড়লেন সামান্থা রুথ প্রভু বিক্ষোভের আগুনে পুড়ছে ইউরোপ, দেশে দেশে জেন–জিরা কেন ফুঁসে উঠেছে

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুলসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে নিয়েছেন আদালত। ফলে মামলাটি বিচারের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তুত হলো। আজ রোববার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালত দুদকের দেওয়া চার্জশিটটি আমলে নেন। একসঙ্গে তিন আসামি পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মামলাটি এখন বিচারের জন্য প্রস্তুত। আসামিদের মধ্যে কারাগারে থাকা আনিসুল হককে আদালতে হাজির করা হয়। অন্যরা পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

.

চার্জশিট গ্রহণ হওয়া অপর আসামিরা হলেন আনিসুল হকের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জেবুন্নেছা বেগম হক, ভাগনে শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম ও কাজিন পরিচয়ধারী মোহাম্মদ ইকবাল। তাঁরা পলাতক আছেন। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি আনিসুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। মামলাটি তদন্ত শেষে চলতি বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আনিসুল হকের স্বনামে ও বেনামে মোট ১৮০ কোটি ৮৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮১ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর বিপরীতে তাঁর বৈধ আয় থেকে পারিবারিক ব্যয় বাদ দিয়ে নিট গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ৮ কোটি ৬১ লাখ ৪০ হাজার ৯৪০ টাকা। ফলে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়।

.

আরও বলা হয়েছে, আনিসুল হকের নিজ নামে ৯৬ কোটি ৮০ লাখ ৬৬ হাজার ৮৮০ টাকা মূল্যের সম্পদ এবং তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট তিন ব্যক্তির নামে আরও ৮৪ কোটি ৫ লাখ ৭ হাজার ১ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে আনিসুল হকের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জেবুন্নেছা বেগম হকের নামে ২৩ কোটি ৩২ লাখ ২ হাজার ৩২১ টাকা, ভাগনে শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলামের নামে ২০ কোটি ৭১ লাখ ৮১ হাজার ৪৪৪ টাকা এবং কাজিন পরিচয়ধারী মোহাম্মদ ইকবালের নামে ৪০ কোটি ১ লাখ ২৩ হাজার ২৩৬ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদ রয়েছে।

.

এ ছাড়া জেবুন্নেছা বেগম হকের নামে থাকা সম্পদের মধ্যে সিটিজেনস ব্যাংকের ১০ কোটি টাকার শেয়ার এবং ১৩ কোটি টাকার এফডিআর রয়েছে। শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলামের নামে সিটিজেনস ব্যাংকের ২০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার এবং মোহাম্মদ ইকবালের নামে ৪০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার রয়েছে।

তদন্তে আনিসুল হক ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ২৩টি ব্যাংক হিসাবে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৯৯ হাজার ৪৫২ টাকা জমা এবং ৩৬১ কোটি ৭৩ লাখ ২৭ হাজার ১২৯ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব হিসাবে মোট ৭৩৭ কোটি ২৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৮১ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!