• শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তুরাগের ১৫ নং সেক্টরে রাজউকের জমি দখল করে অবৈধ ট্রাক স্ট্যান্ড তুরাগ দক্ষিন যুব বিভাগের শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত রেডিক্যাল হাসপাতালের ‘ভয়ঙ্কর’ বিল! তুলা-স্যাভলনের ছোঁয়ায় ৫০০ টাকা! উত্তরা ফাউন্ডেশন স্কুল: দরিদ্র শিশুদের স্বপ্নের পাঠশালা তুরাগ দক্ষিনের যুব বিভাগের “প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫” অনুষ্ঠিত আমাদের উত্তরা ফাউন্ডেশন এর নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি আলী হোসেন, সম্পাদক এলেন বিশ্বাস নতুন টেন্ডার প্রক্রিয়া জনসাধারণের জন্য হুমকির মুখে – দাবী ঠিকাদারদের জামায়াত-শিবিরের কারণে গণঅধিকার-এনসিপি ক্ষতিগ্রস্ত: রাশেদ খান পাকিস্তানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুঁশিয়ারি ভারতের সেনাপ্রধানের সমঝোতা হলে ১০০ আসন ছেড়ে দিতে পারে জামায়াত’

তুরাগের ১৫ নং সেক্টরে রাজউকের জমি দখল করে অবৈধ ট্রাক স্ট্যান্ড

আলী হোসেন (শ্যামল) / ১৭০ Time View
Update : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

রাজধানীর উত্তরার সীমান্তবর্তী তুরাগ থানাধীন ১৫ নং সেক্টরে সরকারি জমি ও জনপথ দখল করে গড়ে উঠেছে একটি বিশাল অবৈধ ট্রাক স্ট্যান্ড। স্থানীয় প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের মদদে প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে এই রমরমা দখলদারিত্ব। এর ফলে এলাকার স্বাভাবিক জনজীবন এখন পুরোপুরি বিপর্যস্ত।

সরেজমিনে তদন্তে দেখা যায়, উত্তরা ৩য় পর্ব প্রকল্পের আওতাধীন ১৫ নং সেক্টরের বেশ কিছু প্লট এবং প্রশস্ত সড়কের দুই পাশ দখল করে রেখেছে ট্রাক, লরি ও পিকআপ ভ্যান। রাজউকের মালিকানাধীন এসব মূল্যবান জায়গা এখন ট্রাক চালকদের ব্যক্তিগত গ্যারেজে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিটি ট্রাক থেকে দৈনিক বা মাসিক ভিত্তিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা আদায় করে একটি প্রভাবশালী চক্র।

অবৈধ এই স্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে দিনরাত বহিরাগত চালক ও সহকারীদের আনাগোনা থাকে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সন্ধ্যার পর এই এলাকায় নারীদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এছাড়া স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে ভ্রাম্যমাণ সরাইখানা, যা অপরাধীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে যে, ট্রাক স্ট্যান্ডের আড়ালে রাতে মাদক কেনাবেচা এবং সেবনের আসর বসে। ট্রাকের দীর্ঘ সারির আড়ালে অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে ছিনতাইকারী ও মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে।

ভারী ট্রাক চলাচলের জন্য তৈরি না হওয়া সত্ত্বেও এসব আবাসিক এলাকায় ট্রাক ঢোকায় রাস্তাগুলো ভেংগে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া গাড়ির পোড়া মবিল ও ময়লা-আবর্জনায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

এলাকার একজন স্থায়ী বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা লাখ লাখ টাকা খরচ করে প্লট কিনে বাড়ি করেছি শান্তিতে থাকার জন্য। কিন্তু এখন ঘরের সামনে ট্রাকের হর্ন আর ধোঁয়ায় থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এটি কি আবাসিক এলাকা নাকি ট্রাক টার্মিনাল, বোঝা দায়।”

প্রশাসনিক নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে দেখা যায়, উচ্ছেদ অভিযান মাঝেমধ্যে হলেও তা কেবল লোকদেখানো বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা। উচ্ছেদকারী দল চলে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার দখল হয়ে যায় জায়গাগুলো। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—কার শক্তিতে এই বিশাল অবৈধ সাম্রাজ্য টিকে আছে?

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!