
আমি যখন খুব ছোট, তখন আমার শখ ছিল পায়রা পোষার। কিন্তু মামনি বলতেন, পায়রা খাঁচায় বন্দী রাখার জন্য নয়, ওদের সুন্দর লাগে নীল আকাশে ডানা মেলে উড়তে দেখলে। তাই পায়রা পোষার শখ থাকলেও কখনো পায়রা রাখা হয়নি।
একদিন ছোটমামা আমাকে একটা পায়রা এনে দিলেন। আনন্দে আমার মন ভরে গেল! পায়রাটাকে নিয়ে খেলতে খেলতে কখন যে সিঁড়ির দিকে চলে গিয়েছিলাম, খেয়ালই করিনি। পায়রাটাকে ধরতে গিয়ে হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলাম। সঙ্গে সঙ্গে কপাল ফেটে ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হতে লাগল। ব্যথায় আর ভয়েই বোধ হয় জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলাম।
কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরলে দেখি, পায়রাটি আমার কোলের কাছেই পড়ে আছে। আমার রক্তে তার সাদা পালকগুলো লাল হয়ে গেছে। দৃশ্যটা দেখে খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। পরদিন সুস্থ হয়ে পায়রাটিকে আর আটকে রাখিনি। নিজের হাতে উড়িয়ে দিয়েছিলাম মুক্ত আকাশে।
সেদিন মামনির কথাটা যেন সত্যি করে বুঝতে পেরেছিলাম। পাখির সৌন্দর্য তার স্বাধীনতায়, খাঁচায় বন্দী থাকার মধ্যে নয়। হয়তো আমার পায়রাটিকে আটকে রাখার চেষ্টার কারণেই সেদিন এমন দুর্ঘটনা ঘটেছিল। সেই থেকে পাখি দেখলেই মনে হয়, ওদের বন্দী করে রাখার চেয়ে মুক্ত আকাশে উড়তে দেওয়াই ভালো।
পাখি তো আকাশেই সুন্দর!
.এআইয়ের পানি ব্যবহার নিয়ে স্যাম অল্টম্যানের দাবি কতটা সত্য
ঠিকানা: উত্তরা, ঢাকা ১২৩০