বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলকে রাজধানীর রাজপথে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও বেগবান করতে তরুণ ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। আর এই প্রত্যাশার জায়গা থেকেই ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের রাজনীতিতে এক সম্ভাবনাময় নাম শিমুল আহমেদ। বিগত দিনের রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে লড়াকু ভূমিকা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে তিনি আজ উত্তর যুবদলের নেতাকর্মীদের মাঝে ‘তারুণ্যের প্রতীক’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, শিমুল আহমেদ ছাত্ররাজনীতির সোনালী সময় থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে রাজপথে সক্রিয় রয়েছেন। বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে, হামলা-মামলা ও দমন-পীড়নের তোয়াক্কা না করে তিনি দলের প্রতিটি কর্মসূচিতে সম্মুখসারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। রাজপথের পরীক্ষিত এই সৈনিক সবসময় নেতাকর্মীদের বিপদে-আপদে পাশে থেকেছেন, যা তাকে সাধারণ কর্মীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আস্থাশীল করে তুলেছে।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যুবদলকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও যুগোপযোগী সংগঠনে রূপান্তর করতে শিমুল আহমেদের মতো শিক্ষিত, সাহসী ও কর্মীবান্ধব নেতার প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। তাদের মতে, শিমুল আহমেদের মতো তরুণ নেতৃত্ব ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাংগঠনিক শক্তিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
পদপ্রত্যাশার বিষয়ে শিমুল আহমেদের সাথে কথা বললে তিনি জানান, "দলের দুঃসময়ে হামলা-মামলা সহ্য করেও আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আমাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় রাজপথ ছাড়িনি। আগামী দিনেও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে রাজপথে থেকে নেতৃত্ব দিতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলে কাজের সুযোগ পেলে আমি সব ভেদাভেদ ভুলে সাধারণ নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে যুবদলকে একটি শক্তিশালী ও আদর্শিক সংগঠনে রূপান্তর করতে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করব।"
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তরুণ প্রজন্মের শক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোকে শক্তিশালী করার যে ধারা শুরু হয়েছে, তাতে শিমুল আহমেদের মতো ত্যাগী ও লড়াকু যুবনেতারা সামনের দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
ঠিকানা: উত্তরা, ঢাকা ১২৩০